আজ-  ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৪ঠা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত, , «» চুক্তি মোতাবেক দুর্গাপূজার বোনাস না পাওয়ায়কমলগঞ্জে আলীনগরে তিন চা বাগান শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ «» মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. আহমেদ ফয়সল জামানের বদলি, শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পদায়ন «» যুক্তরাজ্যে সফররত ক্রীড়ানুরাগী শিপুর সাথে ক্যামডেন টাইগার্স স্পোর্টস ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত «» দৃষ্টি প্রতিবন্ধীসহ সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষায় সচেতনতা অপরিহার্য- অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রট «» মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাসেল আহমদ সাগর  «» মৌলভীবাজারে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ডিডাফের নগদ অর্থ এবং বস্ত্রসামগ্রী বিতরণ «» বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগারে বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধের জ্ঞানকোষ উদ্বোধন «» দক্ষিণ সুরমায় সিলাম সুরমা সমাজ কল্যাণ সংঘের কমিটি গঠন «» বিদেশে মৌলভীবাজার’ সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ পুত্রের বিবাহ উপলক্ষে মুষ্টি মুখ ও নৈশভোজ

মৌলভীবাজারে দুরুদ মিয়া হত্যা মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জন খালাস।

মৌলভীবাজারে দুরুদ মিয়া হত্যা মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জন খালাস।
মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নারাইনপাশা এলাকার চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়া হত্যা মামলায় ১নং আসামী ছাদিক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর সাত আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সামসাদ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, বিগত ২০০৮ সালের ১২ জুন সকালে নারাইনপাশা এলাকার চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়া ছাদিক মিয়ার কাছে পাওনা ১ হাজার ২৬৩ টাকা চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাদিক মিয়া সেখান থেকে চলে যান। কিছুক্ষণ পর দলবল নিয়ে ফিরে এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুরুদ মিয়াকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিহতের ছেলে মকবুল মিয়া বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় হত্যা মামলা (মৌলভীবাজার মডেল থানার মামলা নং- ১৬,তারিখ: ১২/০৬/২০০৮ইং, জিআর-১৪২/০৮, দায়রা- ২২৭/০৯ইং,দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ছাদিক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেন। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৩৬৮(১) ধারার বিধান অনুযায়ী তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি ময়না মিয়ার পুত্র। অন্যদিকে, অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তছকির মিয়া, সিরাজ মিয়া, নুরুল ইসলাম, ছাইফুর রহমান, আতাউর রহমান, শফিক মিয়া ও আছাব মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক বলেন, দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচার কার্যক্রমের মাধ্যমে মামলার জট কমানো সম্ভব হচ্ছে। এতে বিচারপ্রার্থীরা উপকৃত হচ্ছেন। পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ড. আব্দুল মতিন চৌধুরী বলেন- প্রকৃত আসামির দণ্ডের মাধ্যমে বাদীপক্ষের পাশাপাশি আইনের প্রতি মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা বাড়বে। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরাও। তাঁরা বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে তাঁরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। রায় ঘোষণার পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ও তাঁর স্বজনদের আদালতের বারান্দায় কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন- অ্যাডভোকেট মো. বিল্লাল হোসেন।