আজ-  ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» তালামীযে ইসলামিয়া কমলগঞ্জ পৌর ১ নং ওয়ার্ড শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন।  «» সান্তাহারে সর্বজনীন রাধামাধব মন্দির পরিদর্শনে জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ  «» সান্তাহার শহরের হাউজিং কলোনির  পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন  «» প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার: বাংলাদেশের অসমাপ্ত অঙ্গীকার «» সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে’ –শ্রমমন্ত্রী «» জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় মৌলভীবাজারের সাদিয়ার কৃতিত্ব «» মৌলভীবাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি : নিরাপত্তা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ «» মৌলভীবাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও যানজট নিরসনে জেলা প্রশাসনের অভিযান: ২ হাজার টাকা জরিমানা «» দানবীর ড. রাগীব আলীকে ইকরার সম্মাননা স্মারক প্রদান «» শাক সংবাদ॥ বেগম মনোয়ারা ইলিয়াস ॥

কমলগঞ্জে ৬ একর জমিতে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ, ৮ লাখ টাকা খরচে বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ লাখ


মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আধুনিক গ্রাফটিং পদ্ধতিতে ছয় একর জমিতে টমেটো চাষ করে সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক মোঃ ছাদেক হোসেন। ইতোমধ্যে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ৯ থেকে ১০ লাখ টাকার টমেটো বিক্রি করেছেন তিনি। আগামী তিন থেকে চার মাসে আরও ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার টমেটো বিক্রির আশা করছেন এই কৃষক। ছাদেক হোসেন কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের মধ্যভাগ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মাধবপুর ইউনিয়নের ধলাই চা বাগান-সংলগ্ন এলাকায় ছয় একর জমি বাৎসরিক লিজ নিয়ে টমেটো চাষ করছেন। কৃষক ছাদেক হোসেন জানান, তাঁর জমিতে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে উৎপাদিত ১৮ থেকে ২০ হাজার টমেটোর চারা রোপণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত চাষাবাদে তাঁর ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে ৯ থেকে ১০ লাখ টাকার টমেটো বিক্রি করেছেন। আগামী তিন থেকে চার মাসে আরও ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার টমেটো বিক্রির প্রত্যাশা করছেন তিনি। তাঁর হিসাব অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে মোট বিক্রি ২৯ থেকে ৩৫ লাখ টাকায় পৌঁছাতে পারে। এই টমেটোখেতে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ জন নারী-পুরুষ শ্রমিক কাজ করছেন। ফলে চাষাবাদের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম জানান, ধলাই চা বাগানের পাশে ভালো টমেটো চাষ হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তিনি সরেজমিনে গিয়ে ক্ষেতটি পরিদর্শন করবেন। আধুনিক পদ্ধতিতে টমেটো চাষে কৃষক ছাদেক হোসেনের এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে প্রত্যাশিত বিক্রি ও লাভ নির্ভর করবে আগামী দিনের উৎপাদন, বাজারদর এবং চাষাবাদের অবশিষ্ট খরচের ওপর।