আজ-  ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগারে বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধের জ্ঞানকোষ উদ্বোধন «» দক্ষিণ সুরমায় সিলাম সুরমা সমাজ কল্যাণ সংঘের কমিটি গঠন «» বিদেশে মৌলভীবাজার’ সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ পুত্রের বিবাহ উপলক্ষে মুষ্টি মুখ ও নৈশভোজ «» শ্রীমঙ্গলে ইয়াবা ও বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ৩, অভিযানে কর্মকর্তাকে কামড়। «» শারদীয় দুর্গাপূজার বোনাস ও বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতেকমলগঞ্জে মিরতিংগা চা বাগানে চা শ্রমিকদের অবস্থান ধর্মঘট «» কমলগঞ্জে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, ছিঁড়ে ফেলা হলো প্রবেশপত্র «» সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)))) সরকার ও দলমত-নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইসলামের আলোকে নাগরিকের মেীলিক অধিকার «» শ্রীমঙ্গলে ইয়াবা, বিদেশি মদ ও চাকুসহ আটক ৩ «» বড়লেখায় অসচ্ছল নারীদের মাঝে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ «» মৌলভীবাজারে সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনে ৯ মামলা, জরিমানা ৯ হাজার টাকা

বড়লেখায় পারিবারিক বিরোধ মেটাতে গিয়ে খুন হলেন তালই, অভিযুক্ত পুত্রার হাতে

মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী, ক্রাইম রিপোর্টার :

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় মেয়ের শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে জামাতার ভাইয়ের হাতে খুন হয়েছেন আব্দুর রহমান (৬৮) নামে এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার গল্লাসাঙ্গন গ্রামের ছাতুরপার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুর রহমান সম্পর্কে অভিযুক্ত ওমর ফারুকের ফুফা ও তালই হন।

নিহত আব্দুর রহমান সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা আরেঙ্গাবাদ গ্রামের মৃত হাজী ইসরাক আলীর ছেলে। অভিযুক্ত ওমর ফারুক তাঁর সম্বন্ধির ছেলে এবং মেয়ের জামাতার ভাই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখার গল্লাসাঙ্গন গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার ছেলে ও কাতারপ্রবাসী মুন্না আহমদের সঙ্গে আব্দুর রহমানের এক মেয়ের বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন ধরে মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার রাতে আব্দুর রহমান সেখানে যান।

এ সময় পূর্বশত্রুতার জেরে ওমর ফারুক দা দিয়ে আব্দুর রহমানকে অতর্কিতভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল মৃত তোতা মিয়ার বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। বাড়িটি জনমানবশূন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনার পর থেকে বাড়ির লোকজনের অনুপস্থিতির বিষয়টিও স্থানীয়ভাবে আলোচনায় আসে।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান শুক্রবার বিকেলে জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় যোগাযোগ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দাফনের পর পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।