আজ-  ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৭শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা‘র আয়োজনে ঈদ পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত «» ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর আওতায় মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন «» মৌলভীবাজারের উত্তর কলিমাবাদে ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন: দুই আসামি গ্রেপ্তার-  স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি «» মৌলভীবাজারে পূজা উদযাপন পরিষদ চাঁদনীঘাট ইউপি শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত «» মৌলভীবাজারে ডিডাফের ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত «» শ্রীমঙ্গলে যানজট নিরসনে বাইপাস সড়ক নির্মাণে উদ্যোগ, অংশীজন সভায় সর্বসম্মত সমর্থন «» কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) হিফজুল কুরআন দরগাহ মাদ্রাসায় মোশাররফ হোসেন ও সেলিম আহমদকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা। «» বগুড়া আদমদীঘি উপজেলাজুড়ে গাছ লাগানোর কর্মসূচি শুরু «» কমলগঞ্জে মরহুম আবদুল মুমিন (আলাল মিয়া) স্মরণে দোয়া মাহফিল ও শিরনী বিতরণ। «» রাজনগরে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিসহ ৭ জন গ্রেফতার

বগুড়া সান্তাহারে সোনার দুলের লোভে শিশুকে হত্যা করে বস্তাবন্দি আটক ৩   

                                         

(বগুড়া) প্রতিনিধি :বগুড়ার সান্তাহারে সোনার দুলের লোভে ৬ বছর বয়সী শিশু রাখা মনিকে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে হত্যা অভিযোগ প্রতিবেশী দম্পতির বিরুদ্ধে। পরে ঘটনা আড়াল করতে শিশুর লাশ বস্তায় ভরে নিজ বাড়িতে লুকিয়ে রাখেন তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সান্তাহার পৌর শহরের সাহেব পাড়া মহল্লায় অভিযুক্ত আমজাদের বাড়ি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা আটককৃতদের গণপিটুনি এবং তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- সাহেব পাড়ার আবুলের ছেলে আমজাদ হোসেন (৪২), তার স্ত্রী বণ্যা বেগম (৩০) ও প্রতিবেশি আব্দুল কাদেরের ছেলে বাবু (৪০)। পুলিশ ও স্থানিয় সূত্রে জানাগেছে, সান্তাহার পৌর শহরের সাহেব পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও অটোভ্যান গ্যারেজের কর্মচারী আবু রায়হানের শিশুকণ্যা রাখা মনি। শিশুটির মা অন্যত্র বিয়ে করায় দাদীর কাছে থাকতো। স্থানিয় একটি নূরানী মাদরাসায় নার্সারী শ্রেণীতে পড়তো। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার আছরের আজানের পর শিশুটি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে প্রতিবেশি আমজাদের বাড়ির সামনের দিয়ে সরকারি কলেজ এলাকায় প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিলো। এসময় শিশুটি একা থাকার সুযোগে তাকে ধরে আমজাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটির কানে একজোড়া সোনার দুল ছিলো। সেটি ছিনিয়ে নিয়ে তার গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি করে লাশটি মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। এদিকে শিশুটিকে ওই দিন বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত তার বাবা, ফুপু, দাদী, পরিবারের অন্য সদস্য ও প্রতিবেশিরা সম্ভাব্য সকল জায়গায় খুঁজতে বেরিয়ে পড়েন। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে কিশোর আমিন প্রতিবেশি আমজাদের বাড়িতে শিশুটির বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পায়। বিষয়টি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা আমজাদ ও তার স্ত্রী বন্যাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরেক প্রতিবেশি বাবুকেও আটক করে পুলিশ। পুলিশ তাদের থানায় নেওয়ার পর পরই এলাকাবাসী আটককৃতদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে গুড়িয়ে দেয়।  নিহত শিশু রাখা মনির বাবা রায়হান বলেন, একজোড়া সোনার দুলের লোভে আমার এইটুকু মেয়েকে তাঁরা এভাবে হত্যা করল। আমার একটাই চাওয়া, তাঁদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক। সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে সোনার দুলের লোভেই শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় তিনজনকে আটক এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরো এক নারীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।