আজ-  ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» ঈদ আগে মজুরি-বোনাসের দাবিতে মৌলভীবাজারে ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের বিক্ষোভ মিছিল «» বর্ণাঢ্য আয়োজনে মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল «» কমলগঞ্জে হাজী আরব উল্লাহ-মরিয়ম বেগম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» বগুড়ায় নারীসহ ২ মাদকসেবীর কারাদণ্ড «» কমলগঞ্জে নারী অপহরণের চেষ্টা: ৩ জন গ্রেফতার, ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার «» মৌলভীবাজারে ভাতিজাকে চড় মারাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন «» একাটুনা ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব মৌলভীবাজার এর খাদ্যসামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ «» ভূমিকম্প ও অগ্নি নির্বাপক মহড়ার মধ্য দিয়েকমলগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত «» শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে প্রাইভেট স্কুলকেই উদ্যোগ নিতে হবে- প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌঃ «» লন্ডনে কমলগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ইউকের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ‌

বিশ^ মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০১৮
 
প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ঝুঁকিপূর্ণ ধারাসমূহ বাতিলের আহ্বান টিআইবির  
 
 
ঢাকা, ০২ মে ২০১৮: ৩ মে বিশ^ মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দেশের গণমাধ্যমকর্মীগণ যাতে মুক্ত পরিবেশে স্বাধীনভাবে বাক্-স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকার চর্চা অব্যাহত রাখতে পারে সেজন্য প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৮ ধারা পুর্নবিবেচনা ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে খসড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে অগ্রসর হওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। 
 
আজ এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “মন্ত্রিসভা কর্তৃক অনুমোদিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সকল নাগরিকের বাক্-স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের সাংবিধানিক অঙ্গীকার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি। ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে প্রস্তাবিত আইনটি প্রণীত হলে শুধু মত প্রকাশের ক্ষেত্রেই নয়, গণমাধ্যমকর্মীদের পাশাপাশি সকল নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার চর্চার ক্ষেত্রে অধিকতর নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।” 
 
যৌক্তিক বিধি নিষেধ সাপেক্ষে সংবিধান মত প্রকাশের যে স্বাধীনতা দিয়েছে, তা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার কাছে অসহায় উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীসহ মূল ধারার গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই একদিকে অভূতপূর্ব  ভীতি ও অন্যদিকে ভীতি প্রসূত স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপ চাপিয়ে দিয়েছে, যা বাক্-স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীন দায়িত্ব পালনের প্রধান অন্তরায় বলে বিবেচিত হচ্ছে। তদুপরি প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৮ ধারাসমূহ প্রয়োজনীয় সংশোধন ছাড়া প্রণীত হলে সার্বিকভাবে দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা ও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের সম্ভাবনা ধুলিস্যাৎ হবার ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।” 
 
খসড়াটি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অংশীজনের পক্ষ থেকে ব্যাপক উদ্বেগ প্রকাশ সত্ত্বেও ধারাগুলো সংশোধন না করেই সংসদে উত্থাপিত হওয়াকে হতাশাজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এ আইনের ফলে বিভিন্ন প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতিসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য প্রকাশ যেমন অসম্ভব হয়ে পড়বে, তেমনি এসব অপরাধের সুরক্ষার মাধ্যমে অধিকতর বিস্তৃতি ঘটাবে।” 
 
সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন নিশ্চিতের যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে প্রস্তাবিত আইনটি সেক্ষেত্রে বাধা হিসেবে কাজ করবে উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ অর্জনে সরকারের পাশাপাশি জনগণ, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সকল নাগরিক যাতে সকল ধরনের ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন ও বাধাহীন মতামত প্রকাশ করতে পারে তার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এ পর্যায়ে খসড়া আইনটির সংশোধনের দায়ভার সংসদীয় কমিটির ওপর ন্যস্ত হবার কারণে কমিটিকে অবশ্যই ইতিবাচক ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।”
 
গণমাধ্যম যোগাযোগ,
 
 
 
মোহাম্মাদ জাহিদুল ইসলাম