আজ-  ২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» টিআইবির গবেষণা নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক: টিআইবি «» তারকাখচিত জাতীয় অ্যাওয়ার্ডসে জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হলো ব্রিটেনের কারি শিল্প «» কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন, গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আবেগঘন শুভেচ্ছা বিনিময় «» সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মামলা, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ «» সান্তাহারে হোটেলের খাবার খেয়ে পাঁচজন হাসপাতালে, কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে অভিযোগ «» অন্যের প্ররোচনায় অভিযোগ দায়ের) আদমদীঘিতে ভূমি অফিসের হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মুসলেকা দেন অভিযোগকারী «» কমলগঞ্জের জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত; আটক ১ «» কমলগঞ্জের জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত; আটক ১ «» সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারহীনতা অবসানের আন্তর্জাতিক দিবসে ইউনেস্কো ঢাকা কার্যালয়ের বিবৃতি «» মৌলভীবাজারে ফ্রী চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত

৮৬ বছর পর তুরস্কের আয়া সোফিয়া মসজিদে প্রথম জুমার নামাজ আদায়!

জুমার নামাজের মধ্যদিয়ে ৮৬ বছর পর আজ শুক্রবার থেকে পুনরায় মসজিদ হিসেবে চালু হয়েছে তুরস্কের বিশ্ব ঐতিহ্য হায়া সোফিয়া।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ানের কোরআন তেলাওয়াতের পর আয়া সোফিয়া মসজিদের ইমাম হাত তুলে দোয়া করেনন।

জুমআর খুতবা প্রদান করেন তুর্কী ধর্মমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ আলী এরবাস। আয়া সোফিয়ায় জুমার খুতবা প্রদানকারী খতিবের হাতে সুলতান মুহাম্মদ আল ফাতিহ রহিমাহুল্লাহর তরবারি ছিল।

তরবারির উপরে আরবিতে লেখা ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, ‘ইন্না ফাতাহনা লাকা ফাতহাম মুবিনা’।

১৯৮৫ সালে জাদুঘর থাকাকালে হায়া সোফিয়াকে বিশ্বঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ইউনেস্কো। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য তুরস্কের সর্বাধিক দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে হায়া সোফিয়া অন্যতম।

ইস্তাম্বুল বিজয়ের আগে ৯১৬ বছর হায়া সোফিয়া গির্জা ছিল। ১৪৫৩ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত ব্যবহার হয়েছে মসজিদ হিসেবে। ৮৬ বছর ছিল জাদুঘর।

১০ জুলাই তুরস্কের আদালত ১৯৩৪ সালে হায়া সোফিয়াকে জাদুঘর বানানোর ডিক্রি বাতিল করে মসজিদে ফিরিয়ে আনার রায় দেন। যার মাধ্যমে হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরের সুযোগ তৈরি হয়। জাদুঘরে রূপ দেয়ার আগে ৫০০ বছর স্থাপনাটি মসজিদ ছিল।

-এহসান বিন মুজাহির