আজ-  ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১লা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে সরকারি মেডিকেল কলেজ সহপাঁচ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। «» শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে জালে অজগর, উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর «» সম্মানিত গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ, «» ॥ সুনীল কান্তি দেবনাথ ॥ «» তিন মাস পর পুনরায় চালু ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতাল «» সান্তাহারে শিশু রাকার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন «» বগুড়া সান্তাহারে রাকামনির খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন «» কমলগঞ্জের মাগুরছড়া ট্র্যাজেডির ২৯ তম বার্ষিকীতে মানন্ববন্ধন ও চারাগাছ বিতরণ «» বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা‘র আয়োজনে ঈদ পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত «» ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর আওতায় মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন

বগুড়া সান্তাহারে মুঠোফোনে ডেকে ধারালো অস্ত্রের কোপ:  হাসপাতালে ভর্তি

সজীব হাসান,  স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে কলেজ ছাত্র সুলতান মাহমুদ মিজান (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রকে ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সান্তাহার কালীমন্দির এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মিজান সান্তাহার সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র ও সান্তাহার রথবাড়ি মহল্লার সেজান মাহমুদ জনির ছেলে। এই ঘটনায় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সুবিচার পেতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ওইদিন রাতে জোবায়ের, জয়সহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে নিকটবর্তী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সুলতান মাহমুদ মিজানের সঙ্গে জোবায়ের, জয় এবং আরও কয়েকজনের মধ্যে কোন একটি বিষয়ে কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মিজানকে মুঠোফোনে রেলগেইট কালিমন্দি এলাকায় আসতে বলা হয়। তিনি দুই সহপাঠীকে সঙ্গে নিয়ে কালিমন্দিরের সামনে পৌঁছামাত্রই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দলবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে মিজানকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ধারালো কোপ দেওয়ার সময় তিনি বাম হাত দিয়ে বাধা দিতে গেলে তার হাতে চোট লেগে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন। এ সময় তার দুই সহপাঠী বাধা দিতে গেলে তাদেরও শরীরের বিভিন্ন স্থানেও ছিলা ফোলা ও রক্তাক্ত জখম হয়। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তী আহতদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগী মিজানের বাবা বাদী হয়ে আদমদীঘি থানায় জোবায়ের, জয়সহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শীগ্রই আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।