আজ-  ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১০ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» জুয়া ও মাদকের ভয়াবহ বিস্তার -অপরাধের ঝুঁকিতে মৌলভীবাজার শহর, ধ্বংসের পথে কিশোর-যুব সমাজ (পর্ব ১)  «» নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ৯ যুবক : শোকে স্তব্ধ তিন গ্রাম «» আদমদীঘি চাঁপাপুর ইউনিয়নের পুলিশ ফাঁড়ির নতুন জায়গা পরিদর্শন «» অবিলম্বে দেউন্ডি টি কোম্পানীর ৪ টি চা-বাগানের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ করে বাগান চালুর দাবি জানিয়েছে চা-শ্রমিক সংঘ «» বকেয়া মজুরি পরিশোধ করে বাগান চালুর দাবি চা-শ্রমিক সংঘের «» UNESCO-Led Youth Research Warns of Growing Climate Pressures on Indigenous Communities «» শ্রীমঙ্গলে লেবু বাগানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু «» সড়কে ঝরলো ৯বন্ধুর প্রাণ, পরিবারে চলছে শোকের মাতম «» দেশে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের কাজে নিয়োজিত থাকবে পুলিশ -আইজিপি «» বগুড়া আদমদীঘিতে সাত মাদক কারবারির জেল-জরিমানা 

অবিলম্বে দেউন্ডি টি কোম্পানীর ৪ টি চা-বাগানের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ করে বাগান চালুর দাবি জানিয়েছে চা-শ্রমিক সংঘ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি                                       তারিখঃ ২৫/০৫/২০২৬
অবিলম্বে দেউন্ডি টি কোম্পানীর ৪ টি চা-বাগানের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ করে বাগান চালুর দাবি জানিয়েছে চা-শ্রমিক সংঘ
ঈদুল আযহার আগ মুহুর্তে দেউন্দ টি কোম্পানী লিমিটেডের পরিচালনাধীন হবিগঞ্জ জেলা নয়াপাড়া, লালচাঁন, দেউন্দি এবং মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলাধীন মৃর্ত্তিঙ্গা চা-বাগানের শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি আকস্মিকভাবে বন্ধ করে দেওয়ায় চা-শ্রমিক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি পরিশোধ করার দাবি জানান। ২৫ মে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে চা-শ্রমিক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শ্যামল অলমিক ও সাধারণ সম্পাদক হরিনারায়ন হাজরা এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন গত ২১ মে বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক মজুরি পরিশোধ করার কথা থাকলেও দেউন্ডি কোম্পানীর ৪ টি বাগানে কর্তৃপক্ষ আকস্মিকভাবে মজুরি পরিশোধ বন্ধ করে দেন। বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করে মজুরি পরিশোধের দাবি জানায়। কিন্ত দেউন্দি কোম্পানীর কর্তপক্ষ কৃষি ব্যাংক থেকে লোন না পাওয়া পর্যন্ত মজুরি পরিশোধ করা হবে না বলে জানালে ২৫ মে সকাল থেকে ৪টি বাগানের শ্রমিকরা একযোগে কর্মবিরতি শুরু করে। চা-শ্রমিক সংঘের নেতারা বলেন বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্দ্ধগতির বাজারে দৈনিক মাত্র ১৮৭.৪৩ টাকা মজুরিতে এমনিতেই চা-শ্রমিকদের অবস্থা ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’। তার উপর সারা সপ্তাহ কাজ করে মজুরি না পেয়ে শ্রমিকদের যে দুর্বিষহ অবস্থায় পড়তে হয়েছে তা ভাষায় বর্ণনাতীত। তাছাড়াও ২০২২ সালের এরিয়ার বকেয়া ৪,০০০ টাকা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। দেউন্দি কোম্পানীর শ্রমিকরা অভিযোগ করেন তাদের পিএফ চাঁদা নিয়মিত প্রফিডেন্ট ফান্ডে জমা করা হয় না, চা-শ্রমিকদের ন্যূনতম চিকিৎসাও এখন মিলছে না। দীর্ঘদিন যাবত শ্রমিকদের বসত ঘর মেরামত না করায় শ্রমিকদের কাজের সময় সেকশনে যেমন ঝড়বৃস্টিতে ভিজতে হয়; আবার ঘরে এসেও বৃস্টির পানিতে ভিজতে হয়। দীর্ঘদিন যাবত শ্রমিকরা তাদের সমস্যা সমাধানের দাবি জানালেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নেননি।
চা-শ্রমিক সংঘের নেতারা অবিলম্বে দেউন্দ টি কোম্পানী লিমিটেডের ৪টি চা-বাগানের শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি ও বকেয়া এরিয়ার পরিশোধসহ শ্রমিকদের সমস্যার যৌক্তিক সমাধান করে চলমান শ্রম অসন্তোষ নিরসন করার জন্য বাগান কর্তৃপক্ষ ও সরকারের সংশ্লিস্ট কতৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।