আজ-  ২৩শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৬শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» শমসেরনগরে বিচারাধীন মামলার বিরোধীয় জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা «» মৌলভীবাজারে ইয়াবা ব্যবসায়ী নারীসহ গ্রেপ্তার-২ «» তালামীযে ইসলামিয়া কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন। «» বিদ্যমান স্টেডিয়াম ও খেলার মাঠগুলোকে আধুনিকায়ন করে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ার উদ্যোগ «» জুড়ীতে অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্য – নীরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ «» বগুড়া সান্তাহারে রক্তদহ বিলপাড়ে দুই হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ        «» আগামীকাল শ্রীমঙ্গলে ক্রিকেট একাডেমির উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী «» তালামীযে ইসলামিয়া কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন। «» সান্তাহারে অটোরিকশা সংগঠনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ «» বগুড়া আদমদীঘিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন

জুড়ীতে অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্য – নীরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ

জালালুর রহমান, মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই চারটি করাতকল (স-মিল) পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব করাতকলে বনাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থান থেকে কাগজপত্রবিহীন কাঠ সংগ্রহ করে দিন-রাত চেরাই করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি করাতকলে বিদ্যুৎ সংযোগও রয়েছে।

জানা গেছে, জুড়ী রেঞ্জের আওতাধীন অবৈধভাবে পরিচালিত করাতকলগুলোর নাম হলো কালীবাড়ি রোডের চৌধুরী স-মিল, পশ্চিম ভবানীপুরের মামুনুর রশিদ সাজুর স-মিল, বাছিরপুরের হোসেন মিয়ার (ভাড়ায় চালিত) স-মিল, ভবানীগঞ্জ বাজার গুদাম রোডের শেখ এন.জি জারিনের স-মিল।

এসব করাতকলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদন না থাকলেও নিয়মিতভাবে কাঠ চেরাইয়ের কার্যক্রম চলছে। বিভিন্ন স্থান থেকে কাঠ এনে দিন-রাত এসব স-মিলে চেরাই করা হচ্ছে। এতে বনজ সম্পদ রক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় পরিবেশসচেতন ব্যক্তিরা।

অবৈধভাবে পরিচালিত এসব করাতকলে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। বন বিভাগের সংশ্লিষ্টদের নজরদারি ও সহযোগিতা ছাড়া এভাবে দীর্ঘদিন কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফজলে রাব্বানী চৌধুরী বলেন, বন বিভাগকে বলেছি তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শ্রীমঙ্গল সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, যদি এইরকম থাকে যে কাগজপত্র নাই সেগুলো আমরা যাচাই করব কাগজপত্র না থাকলে আমরা ব্যবস্থা নেব। এবিষয়ে জানতে চাইলে জুড়ী ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অবৈধ স-মিলগুলোর বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। স-মিলগুলো উচ্ছেদ করতে হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রয়োজন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সময় দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। সময় পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।