আজ-  ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৬শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» দক্ষিণ সুরমায় সিলাম সুরমা সমাজ কল্যাণ সংঘের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন «» মৌলভীবাজারে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কাউন্সিলর প্রার্থী হোসাইন আহমদের শুভেচ্ছা «» বগুড়া আদমদীঘিতে বর্ণিল আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রা «» কমলগঞ্জে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান «» দুনিয়ার মজদুর এক হওচা শ্রমিক সংঘ «» মাওলানা মোশাহিদ আলী আজমী ছাহেব রহ একজন আর্দশবান শিক্ষক ও মানবিক মানুষ ছিলেন।  «» কমলগঞ্জে ছয়চিরি দিঘীর পাড়ে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলা মঙ্গলবার শুরু «» চা-শ্রমিক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাঅবিলম্বে ক্যামেলিয়া হাসপাতাল চালু করে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হোক «» Move to Rehabilitate Bank Looters is Self-Defeating: TIB «» শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন

মৌলভীবাজারে ইউপি ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ যার নামে টেন্ডার জানেন না তিনি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে চরম অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়েও এলাকাবাসীর মধ্যে রয়েছে ধূর্মজাল। প্রজেক্টর পাশে কাজের বিবরণীসহ সাইনবোর্ড টানানোর কথা থাকলেও সরকারের সে নিয়ম এখানে মানা হয়নি। নিজেদের দূর্নীতি আড়াল করতে এমনটা করছেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
এলাকাবাসী ও একটি সূত্র জানায়, কাজটি পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান এর নামে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকায় টেন্ডার হয়। তবে ফজলুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমার নামে কাজ আসছে কি না এটা আমার জানা নেই। হয়তো বা কেউ আমার নামে এনে কাজ করাতে পারে। স্থানীয়দের অভিযোগ পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম মিয়া ও মেম্বার আল-আমিন ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজটি কিনে এনেছেন। সূত্র জানায় ইউপি সদস্য আল-আমিন এখান থেকে মাটি নিয়ে উনার বাড়ির রাস্তাও ভরাট করেছেন। তবে উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, যৌথভাবে মেয়র ফজলুর রহমান, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সুমন ও তোয়েল মিয়া কাজ পেয়েছেন।
জেলা প্রশাসকের কাছে দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, কমপ্লেক্স ভবনের বেইজ তৈরির কাজে এক্সলেটার দিয়ে পুকুরের ন্যায় মাটি খনন করে চতুর্দিকে রাখলে অধিকাংশ মাটি আবার গর্তে পড়ে যায়। গর্তে পড়ে যাওয়া মাটিগুলো পূণরায় না তুলে মনুনদী থেকে পাইপ লাইন সংযোগ করে পলি মাটি মিশ্রিত বালি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। অথচ ৬ ফুট উঁচু করে বালি দ্বারা ভরাট করা কথা ছিল। অনিয়মের বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করলেও সমাধানের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম মিয়া কাজ করানোর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, চিঠির মাধ্যমে আমাদেরকে অবগত করা হয়েছে এজন্য দেখা শোনা করছি। শ্রমিকরা বলছে আপনি তাদেরকে কাজের দাম নির্ধারণ ও টাকা দিয়েছেন এমন প্রশ্নর জবাবে তিনি বলেন, ঠিকাদার সুমন ভাই’র দেয়া টাকা আমি তাদের কাছে পৌঁছে দেই।
ইউপি সদস্য আল-আমিন কাজ করানোর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ইউপি সদস্য হিসেবে আমি দেখা শোনা করছি। তবে এলাকাবাসী বলছে আপনি কাজ করাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আর কিছু বলেননি।
উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জহির মেহেদী হাসান বলেন, সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এখানে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না।