আজ-  ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১লা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা!  «» মৌলভীবাজারে মুসলিম তরুণীদের টার্গেট করে হিন্দু যুবকের গোপনে একাধিক ভিডিও ধারণের অভিযোগ «» মৌলভীবাজারে দুরুদ মিয়া হত্যা মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জন খালাস। «» চা-বাগানে দুর্গা পূজায় উৎসব বোনাস প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ চা-শ্রমিক সংঘের «» বগুড়া আদমদীঘিতে বর্জ্য পরিশোধনাগার ছাড়াই চালকল পরিচালনার সংবাদ প্রকাশের পর তদন্তে মিলল সত্যতা «» আদমদীঘির ছাতিয়ানগ্রামে ১৯ কারা নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সংবর্ধনা প্রদাণ «» আদমদীঘিতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা «» মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে অবহিতকরণ সভা «» বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার «» শ্রীমঙ্গলের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সিনথিয়া তাসমিনকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি

আজ কৃষিবিদ দিবস রাজনগর কৃষি অফিস

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ
মাঠে গেলে তেল খরচ দিতে হয় উপজেলা মাঠ কর্মীদের
মৌলভীবাজার রাজনগর উপজেলা কৃষি অফিসে কর্মরত মাঠ কর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিজ দায়িত্ব পালনে মাঠে গেলে কৃষকদের কাছ থেকে গ্রহণ করেন চা-নাস্তা ও মোটরসাইকেলের তেলের খরচ বাবত মোটা অংকের টাকা। এনিয়ে প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলার আটটি ইউনিয়নের সহজ-সরল কৃষকরা বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলে কিছু বলতেও পারছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার একাধিক কৃষক বলেন, রবি শস্য ও ফসলি জমিতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের মাঠ কর্মীকে অবগত করলে তারা বলেন, অফিসে নিয়ে আসেন অথবা মাঠে গেলে খরচ দিতে হবে। খরচ না দিলে তারা মাঠে যেতে চান না। উপজেলা অফিসে কৃষি কার্ড করতে গেলেও প্রকৃত কৃষকরা নানা হয়রানির শিকার হন এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষকদের কার্ড না দিয়ে বাম হাতের লেনদেনের বিনিময়ে কৃষক না হয়ে অনেকে কার্ড দিয়ে সুবিধা ভোগ করতেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সার বিতরণের সময়ও কৃষকদের ২৫-৩০% সার কম দেয়া হয়। একটি সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ আসলে প্রকৃত কৃষকদের প্রশিক্ষন না দিয়ে মুখ দেখে দেখে নিজের পরিচিত ও ঘনিষ্ঠ লোকদে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হয়। অনেক প্রশিক্ষণার্থী কৃষি কাজের সাথেও সম্পৃক্ত নয় বলে অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, কোনো বিষয় নিয়ে কৃষি অফিসারের কাছে গেলে খারাচ আচরণ করেন। এবিষয়ে রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ আজিজুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রশিক্ষণের ডেলিগেইট সংগ্রহের বিষয়টি মাঠ কর্মীরা দেখেন। এখানে আমার কোনো হাত নেই। কৃষকদের কাছ থেকে চেয়ে আমার কোনো মাঠ কর্মী টাকা আনে না। হয়তো খুশি হয়ে কোনো কৃষক দিতে পারেন। তিনি আরো বলেন, এখান থেকে একজন মাঠ কর্মীকে বদলি করার পর থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন।