আজ-  ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩রা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» আজ বৃহস্পতিবার বনানী ক্লাবে উদ্বোধন হবে মিউজিক্যাল ডকুমেন্টারি ‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ «» বগুড়া ‎শেরপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু «» বাংলাদেশ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব নিয়ে বার্মিংহামে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত «» জুড়ীতে ঝুঁকিপূর্ণ বসতঘরে দিনযাপন-সরকারি সহায়তা চান রামকৃষ্ণ তেলি পরিবার «» নওগাঁয় দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ «» National Human Rights Commission Act 2026 (Draft) «» বগুড়া সান্তাহারে একাডেমিক ভবনের ফলক উদ্বোধন  «» বগুড়া সান্তাহার কলসা স্কুলে সংবর্ধনা ও   অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত  «» শ্রীমঙ্গলে সিএনজি-মাইক্রো শ্রমিক সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত «» নওগাঁয় শিক্ষকের মৃত্যুর খবর শুনে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আজ কৃষিবিদ দিবস রাজনগর কৃষি অফিস

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ
মাঠে গেলে তেল খরচ দিতে হয় উপজেলা মাঠ কর্মীদের
মৌলভীবাজার রাজনগর উপজেলা কৃষি অফিসে কর্মরত মাঠ কর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিজ দায়িত্ব পালনে মাঠে গেলে কৃষকদের কাছ থেকে গ্রহণ করেন চা-নাস্তা ও মোটরসাইকেলের তেলের খরচ বাবত মোটা অংকের টাকা। এনিয়ে প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলার আটটি ইউনিয়নের সহজ-সরল কৃষকরা বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলে কিছু বলতেও পারছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার একাধিক কৃষক বলেন, রবি শস্য ও ফসলি জমিতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের মাঠ কর্মীকে অবগত করলে তারা বলেন, অফিসে নিয়ে আসেন অথবা মাঠে গেলে খরচ দিতে হবে। খরচ না দিলে তারা মাঠে যেতে চান না। উপজেলা অফিসে কৃষি কার্ড করতে গেলেও প্রকৃত কৃষকরা নানা হয়রানির শিকার হন এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষকদের কার্ড না দিয়ে বাম হাতের লেনদেনের বিনিময়ে কৃষক না হয়ে অনেকে কার্ড দিয়ে সুবিধা ভোগ করতেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সার বিতরণের সময়ও কৃষকদের ২৫-৩০% সার কম দেয়া হয়। একটি সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ আসলে প্রকৃত কৃষকদের প্রশিক্ষন না দিয়ে মুখ দেখে দেখে নিজের পরিচিত ও ঘনিষ্ঠ লোকদে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হয়। অনেক প্রশিক্ষণার্থী কৃষি কাজের সাথেও সম্পৃক্ত নয় বলে অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, কোনো বিষয় নিয়ে কৃষি অফিসারের কাছে গেলে খারাচ আচরণ করেন। এবিষয়ে রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ আজিজুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রশিক্ষণের ডেলিগেইট সংগ্রহের বিষয়টি মাঠ কর্মীরা দেখেন। এখানে আমার কোনো হাত নেই। কৃষকদের কাছ থেকে চেয়ে আমার কোনো মাঠ কর্মী টাকা আনে না। হয়তো খুশি হয়ে কোনো কৃষক দিতে পারেন। তিনি আরো বলেন, এখান থেকে একজন মাঠ কর্মীকে বদলি করার পর থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন।