আজ-  ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৪ঠা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» শ্রীমঙ্গলে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান, একজনের ৩ মাসের কারাদণ্ড «» মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিষপানে নারী চা শ্রমিকের মৃত্যু  «» দৃশ্যমান দুর্যোগের বাইরে জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর সংকট «» কমলগঞ্জে শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে ‘গুড নেইবারস বাংলাদেশ’ সিডিপির নেটওয়ার্ক ক্যাম্পেইন «» মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তিতে ‘বৃক্ষকন্যা’ সাদিয়া আক্তারকে সম্মাননা «» মৃত মুরগি বিক্রির’ অভিযোগকে মিথ্যা দাবি, অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান «» জাতীয় মৎস্য পদক পেলেন-এমপি আব্দুল মহিত তালুকদার «» সান্তাহারে অব্যবস্থাপনায় আবাসিক হোটেলের জরিমানা «» তালামীযে ইসলামিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন। «» সা‌বেক স‌চিব জামাল উদ্দিন আহমেদ এর লন্ডন সফ‌রে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে’র সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা

মৌলভীবাজারে মোটরসাইকেল আরোহীকে মাটিতে ফেলে মারপিঠ করেছে পুলিশ

ফেইসবুকে ছবি ভাইরাল
,মৌলভীবাজারে দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে মাটিতে ফেলে হেনস্থা ও ঘাড়চেপে মারপিঠের একটি ছবি ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ। পুলিশের এমন মারমুখি ভূমিকা নিয়ে জেলার সুশীল সমাজের সদস্যরা প্রশ্ন তুলছেন। প্রশ্ন উঠছে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্টের নামে হয়রানী ও চাঁদা আদায়ের। রোববার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রোডে (মডেল থানার সন্নিকটে) সিগনাল অমান্য করায় দুজন মোটর সাইকেল আরোহীকে মাটিতে ফেলে হেনস্থা ও ঘাড় চেপে ধরে মারপিট করেছেন মডেল থানার এসআই মহসিন ভূঁইয়া। এসময় লাঠি হাতে নিয়ে অপর আরোহীর পেছন থেকে শার্টের কলার চেপে ধরেছেন পুলিশের পোশাকহীন আরেক সদস্য। এ সময়কার চিত্র ধারণ করে ফেইসবুকে ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন মৌলভীবাজার মডেল থানার এই দুই পুলিশ সদস্য। জানা গেছে, দুই মোটরসাইকেল আরোহী হলেন, শ্রীমঙ্গল শহরের কলেজ রোডের বাসিন্দা সৈয়দ কামরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ মাসুদ আরেফীন (২২) ও একই এলাকার বাসিন্দা শেখ নুরুল ইসলামের ছেলে শেখ নুরুজ্জামান (২০)। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মৌলভীবাজার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মহসিন ভূঁইয়া বলেন, কয়েকটি সিগন্যাল অমান্য করে মডেল থানার অদূরে মোটরসাইকেল আরোহীরা পড়ে যায়। এ সময় তাদের ধরতে গেলে ধস্তাধস্তি হয়। তিনি স্বীকার করেন ‘রাগের মাথায় মারাটাও স্বাভাবিক’। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ্জালাল বলেন, তিনটি সিগন্যাল অমান্য করার পর যখন চার নম্বর সিগনাল অমান্য করে তখন পুলিশের সন্দেহ হওয়াটা স্বাভাবিক। কারণ সে তো জঙ্গিও হতে পারে আবার ডাকাতও হতে পারে অথবা সামথিং আরো কিছু। এখানে গুলিও হতে পারতো। যাই হোক সেটা হয়নি। সে (পুলিশ) ওখানে গিয়ে ধরেছে। তিনি আরো বলেন, কোন পরিস্থিতিতে, কতটুকু মেরেছে তা আমরা দেখবো। বিষয়টি আমার নজরে রয়েছে। পুলিশ এমনিতে কাউকে মারার সুযোগ নেই।