আজ-  ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - ১৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» Press Release «» এই ঈদে সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে অপো এ৬এস «» বগুড়ায় মাদক সেবনের অপরাধে ৩ জনকে গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড «» গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যো‌গে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত «» দেশজুড়ে ‘ঈদ উইথ শাওমি’ ক্যাম্পেইন শুরু, সিঙ্গাপুর ভ্রমণ, ক্যাশব্যাক ও নিশ্চিত উপহার জিতে নেয়ার সুযোগ «» বার্তা সম্পাদক/প্রধান প্রতিবেদক/ব্যুরো প্রধান/নগর সম্পাদক «» পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» মৌলভীবাজারে আতৎকিত প্রবাসী পরিবার : ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার «» বগুড়ায় গাঁজাসহ আটক ১ «» জুড়ীতে ভূমি খেকোদের বিরুদ্ধে বসত বাড়ীররাস্তা দখল করে বাউন্ডারি নির্মাণের পায়তারা

মৌলভীবাজারে মোটরসাইকেল আরোহীকে মাটিতে ফেলে মারপিঠ করেছে পুলিশ

ফেইসবুকে ছবি ভাইরাল
,মৌলভীবাজারে দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে মাটিতে ফেলে হেনস্থা ও ঘাড়চেপে মারপিঠের একটি ছবি ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ। পুলিশের এমন মারমুখি ভূমিকা নিয়ে জেলার সুশীল সমাজের সদস্যরা প্রশ্ন তুলছেন। প্রশ্ন উঠছে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্টের নামে হয়রানী ও চাঁদা আদায়ের। রোববার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রোডে (মডেল থানার সন্নিকটে) সিগনাল অমান্য করায় দুজন মোটর সাইকেল আরোহীকে মাটিতে ফেলে হেনস্থা ও ঘাড় চেপে ধরে মারপিট করেছেন মডেল থানার এসআই মহসিন ভূঁইয়া। এসময় লাঠি হাতে নিয়ে অপর আরোহীর পেছন থেকে শার্টের কলার চেপে ধরেছেন পুলিশের পোশাকহীন আরেক সদস্য। এ সময়কার চিত্র ধারণ করে ফেইসবুকে ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন মৌলভীবাজার মডেল থানার এই দুই পুলিশ সদস্য। জানা গেছে, দুই মোটরসাইকেল আরোহী হলেন, শ্রীমঙ্গল শহরের কলেজ রোডের বাসিন্দা সৈয়দ কামরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ মাসুদ আরেফীন (২২) ও একই এলাকার বাসিন্দা শেখ নুরুল ইসলামের ছেলে শেখ নুরুজ্জামান (২০)। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মৌলভীবাজার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মহসিন ভূঁইয়া বলেন, কয়েকটি সিগন্যাল অমান্য করে মডেল থানার অদূরে মোটরসাইকেল আরোহীরা পড়ে যায়। এ সময় তাদের ধরতে গেলে ধস্তাধস্তি হয়। তিনি স্বীকার করেন ‘রাগের মাথায় মারাটাও স্বাভাবিক’। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ্জালাল বলেন, তিনটি সিগন্যাল অমান্য করার পর যখন চার নম্বর সিগনাল অমান্য করে তখন পুলিশের সন্দেহ হওয়াটা স্বাভাবিক। কারণ সে তো জঙ্গিও হতে পারে আবার ডাকাতও হতে পারে অথবা সামথিং আরো কিছু। এখানে গুলিও হতে পারতো। যাই হোক সেটা হয়নি। সে (পুলিশ) ওখানে গিয়ে ধরেছে। তিনি আরো বলেন, কোন পরিস্থিতিতে, কতটুকু মেরেছে তা আমরা দেখবো। বিষয়টি আমার নজরে রয়েছে। পুলিশ এমনিতে কাউকে মারার সুযোগ নেই।