মু রিমন ইসলাম, শ্রীমঙ্গল
শ্রীমঙ্গল সেন্ট মার্থাস স্কুলের ২ ছাত্রের দুই মাসের বেতন বাকি থাকায় ছাত্রদের টেস্ট পরীক্ষায় বাঁধা প্রদান করেন স্কুলের প্রাধান শিক্ষিকা মেরি মার্গেট রিবেরু।এমন অভিযোগ উঠে আসে দুই ছাত্রের কাছ থেকে।
এ ব্যাপারর সিলেট বিভাগীয় কমিশনার,মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছেন দুই ছাত্রের অভিবাবক।
৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার শ্রীমঙ্গল সাতগাওঁ টাওয়ারের বাসিন্দা মৃত আলকাছ আলীর ছেলে এস এম জহুরুল ইসলাম এ অভিযোগ প্রদান করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,তাঁর দুই পুত্র পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র এস এম তাওহিদ আল হাসাইন ও তাওফিক আল হোসাইনকে গত ৩ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় টেস্ট পরীক্ষার জন্য যথারীতি স্কুলের হলে প্রবেশ করতে গেলে তাদের বাঁধা প্রদান করা হয়।স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মেরি মার্গেট রিবেরু দুই স্কুল ছাত্রের বেতন বাকি থাকায় তাদের ২০ মিনিট বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখেন।
এ সময় তারা কান্নাকাটি করলে প্রধান শিক্ষিকা বলেন,পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হলে তাদের দরখাস্ত দিতে হবে।তখন ছাত্ররা দরখস্ত লিখতে গিয়ে চলে যায় আরো দশ মিনিট।দেড় ঘন্টার পরীক্ষায় ত্রিশ মিনিট চলে যাওয়ার পর তারা দরখাস্ত প্রদানের পর ভয় আর ভীতিকর পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি অভিভাবকদের বলে।
অভিযোগকারী অভিভাবক জানান,অভিভাবকরা স্কুল প্রধান শিক্ষিকা মেরি মার্গেট রিবেরু কে দরখাস্ত নেয়ার কারণ জানতে চাইলে স্কুল প্রধান শিক্ষিকা বলেছেন,ছাত্রদের বেতন পরিশোধ না হলে দরখাস্ত নেয়ার নিয়ম রয়েছে।
এই প্রতিবেদক ছাত্রলীগ এস এম তাওহিদ আল হাসাইন এর কাছে আসলে কি ঘটে ছিল জানতে চাইলে সে জানায়,
দুই মাসের বেতন বাকি থাকায় হলে প্রবেশ করতে দেননি বাহিরে দাড়িয়ে থাকতে বলেছেন।পরে দরখাস্ত দিতে বললে,দরখাস্ত দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি প্রায় আধাঘন্টা পরে। বাকী সময় বাহিরেই দাড় করিয়ে রেখেছেন।
শ্রীমঙ্গল সেন্ট মার্থাস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মিস মেরি মার্গেট কে ফোন করে আসলে কি ঘটে ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন- আমি ফোনে কথা বলতে চাচ্ছি না।আমাদের সভাপতি সিলেটে থাকেন,উনার সাথে কথা বলে আপনার সাথে আগামীকাল সকালে আসেন বসে কথা বলবো।
কোমলমতি ছাত্রদের প্রতি অমানবিক এ আচরণের বিষয়টি শ্রীমঙ্গলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মৌলভীবাজার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবগত করলে তারা তা দেখছেন বলে অভিভাবকদের আশ্বস্থ করেন।।






