আজ-  ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩রা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» আজ বৃহস্পতিবার বনানী ক্লাবে উদ্বোধন হবে মিউজিক্যাল ডকুমেন্টারি ‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ «» বগুড়া ‎শেরপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু «» বাংলাদেশ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব নিয়ে বার্মিংহামে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত «» জুড়ীতে ঝুঁকিপূর্ণ বসতঘরে দিনযাপন-সরকারি সহায়তা চান রামকৃষ্ণ তেলি পরিবার «» নওগাঁয় দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ «» National Human Rights Commission Act 2026 (Draft) «» বগুড়া সান্তাহারে একাডেমিক ভবনের ফলক উদ্বোধন  «» বগুড়া সান্তাহার কলসা স্কুলে সংবর্ধনা ও   অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত  «» শ্রীমঙ্গলে সিএনজি-মাইক্রো শ্রমিক সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত «» নওগাঁয় শিক্ষকের মৃত্যুর খবর শুনে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

কুলাউড়ায় রেল নিরাপত্তা বাহিনীর অফিস সংস্কার ও সেপ্টিক ট্যাংকি নির্মাণ কাজে অনিয়ম !

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:

কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের নিরাপত্তা বাহিনীর অফিসের সংস্কার কাজ ও সেপ্টিক ট্যাংকি পুনঃনির্মাণ কাজে মাটির নিচের শত বছরের পুরনো ইট দিয়ে নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। এই কাজে বড় ধরনের বরাদ্ধ থাকা সত্বেও নিম্মমানের কাজ হওয়ায় রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ কাজে দায়সারানো জুড়াতালির কাজ করা হচ্ছে। বরাদ্ধের ৩ ভাগের ২ ভাগ একটি মহলের পকেটে যাচ্ছে এমন অভিযোগ এনে রেলওয়ের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের কোয়াটারপ্রতি যে বরাদ্ধ আসে তার এক ভাগও কাজ হচ্ছে না। তাহলে বরাদ্ধকৃত টাকাগুলো কার পকেটে ঢুুকছে?
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক রেল কর্মচারী জানান, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি বাহিরে পড়ার আগে আমাদের কোয়াটারে পড়ে। সেপ্টিক ট্যাংকি নির্মাণের মান খুবই খারাপ হচ্ছে।
কোয়াটারের ট্যাংকির কাজ নষ্ট হওয়ায় খোলা ড্রেনে ট্যাংকি ছিদ্র করে দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে আশপাশ এলাকায় দুর্গন্ধ লেগেই থাকে। এতে করে রেলওয়ে এলাকায় বসবাসকারি বয়োবৃদ্ধ ও শিশুদের মাঝে চর্ম, ডিসেন্ট্রিসহ মারাত্মক রোগে প্রতিনিয়িত আক্রান্ত হচ্ছে।
এদিকে কুলাউড়ার রেলওয়ে কর্মরত কর্মচারীরা বলেন, বর্তমান সরকার রেল শ্রমিকদের জন্য যেভাবে কাজ করছে বাস্তবে তার সুফল রেল শ্রমিকরা পাচ্ছে না! কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দিয়ে নি¤œমানের কাজ করিয়ে রেলওয়ের বরাদ্ধের টাকা ভাগবাটোয়ার মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কুলাউড়া রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনীর অফিস সংস্কার কাজ খুবই নিম্নমানের। তার পাশে সেপ্টি ট্যাংকি নির্মাণে শতবর্ষের পুরনো ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্মাণের ৫ দিনের মাথায় ওয়াল খসে পড়ছে। এ নিয়ে অনেকের মাঝে প্রশ্ন জাগছে এ বরাদ্ধের টাকা কতটুকু ব্যবহার হচ্ছে?
কুলাউড়া রেলওয়ে উর্দ্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী জুয়েল আহমদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি পুরনো ইট লাগানোর কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা বরাদ্ধ অনুয়ায়ী কাজ করছি। বালুর সাথে সিমেন্টের পরিমাণ কমের বিষয়ে তিনি ঠিকাদারের উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন।
জানতে চাইলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সিলেটের মুজিবুর রহমানের সাথে সোমবার (৩০ এপ্রিল) যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সোমবার (৩০ এপ্রিল) রেলওয়ের ডিএন-২ আহসান জাবির ভোরের কাগজকে জানান, নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করার প্রশ্নই উঠেনা। আমি বিষয়টি জানিনা। তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি। নিম্নমানের ইট দিয়ে সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করার প্রমাণ পাওয়া গেলে আমরা কাজ বন্ধ করে দিব। তবে ঐদিন বিকাল সোয়া ৪টায় প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের বরাত দিয়ে তিনি মুঠোফোনে আরো জানান, নিম্নমানের ইটগুলো সেখান থেকে খুলে ফেলা হয়েছে। ঠিকাদার কাজ করাচ্ছেতো। এরকম কিছু অনেক সময় হয়ে যায়।