আজ-  ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১১ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» রাষ্ট্রপতি কে হবেন সিদ্ধান্ত হবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে: বগুড়ায় মির্জা ফখরুল «» শ্রীমঙ্গলে এক লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি মুজিবুর রহমানের «» সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রমআইন বাস্তবায়ন ও রেশন চালুর দাবি হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের «» নতুন কুড়ি জাতীয় পর্যায়ের বালক কাবাডি প্রতিযোগীতায় সিলেট বিভাগ চ্যাম্পিয়ন «» নওগাঁয় ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার «» মাদরাসায় ছাত্রীদের ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনার প্রতিবাদে উদ্বেগ প্রকাশ মুজাহিদ আজমী’র  «» সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট মৌলভীবাজার শহর শাখার নতুন কমিটি গঠন- সভাপতি শ্যামল, সম্পাদক পৌষী «» লন্ড‌নে সিলেট শাহজালাল হাউজিং এস্টেটস (উপশহর) প্রবাসী অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যো‌গে সভা অনুষ্ঠিত «» কমলগঞ্জে উল্টো রথযাত্রার মধ্য দিয়ে পরিসমাপ্তি ঘটলো শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের ৯ দিনের উৎসব «» কমলগঞ্জে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের মানবিক উদ্যোগ: কবর খননকারীদের জন্য এসএসের চাউনি নির্মাণ।

সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রমআইন বাস্তবায়ন ও রেশন চালুর দাবি হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের


মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার : হোটেল সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়ন এবং ৮ ঘন্টা কর্মদিবস, নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র প্রদানসহ শ্রমআইন বাস্তবায়ন, স্বল্পমূল্যে রেশন চালুর দাবিতে মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৪ জুলাই (শুক্রবার) সন্ধ্যায় জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি তারেশ চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে সংগঠনের চৌমুহনাস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো: শাহিন মিয়া, সহ-সভাপতি শাহিন আহমদ ও জামাল মিয়া, প্রচার সম্পাদক রুহুল আমি রোহিত, হোটেল শ্রমিকনেতা সাজু আহমেদ, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, আলমগীর মিয়া, রুহুল আমিন, মিজান মিয়া প্রমূখ। কর্মীসভায় বক্তারা বলেন- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতির কারণে দেশের অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষের মতই হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকরা এক দুর্বিসহ জীবনযাপন করছে। পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে, অভাব-অনটন ও দু:খ-কষ্টে শ্রমিকদের জীবন অতিবাহিত করতে হচ্ছে। হোটেল মালিকরা প্রতিনিয়ত তাদের খাদ্য পণ্যের দাম বাড়ালেও শ্রমিকদেরকে নামেমাত্র মজুরি প্রদান করছেন। বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ৫-ধারা অনুযায়ী শ্রমিকদের নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদান বাধ্যতামূলক হলেও মালিকরা তা প্রদান না করে যখন তখন শ্রমিকদের চাকুরিচ্যুত করছে। শ্রম আইন স্বীকৃত ৮ ঘন্টার অধিক কর্মঘন্টার জন্য দ্বিগুণ মজুরি প্রদানের বিধান থাকলেও মালিকরা ওভারটাইমের মজুরি না দিয়ে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের দিয়ে জোরপূর্বক ১২/১৩ ঘন্টা ডিউটি করতে বাধ্য করছে। এছাড়াও শ্রম আইনের অন্যান্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা থেকে মালিকরা শ্রমিকদের বঞ্চিত করছে। নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদানসহ শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা ক্ষোভ-বিক্ষোভ ও আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলেন। শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে মালিক ও মালিক সমিতির সাথে বিভিন্ন চুক্তি সম্পাদিত হয়। ২০১৫ সালের ২ জুলাই শ্রীমঙ্গলস্থ বিভাগীয় শ্রমদপ্তরের মধ্যস্থতায় হোটেল মালিক সমিতির সাথে মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সম্পাদিত হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। গত বছরের ৫ মে হোটেল ও রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির চূড়ান্ত গেজেট ঘোষণা করা হয়। অথচ এক বছরের বেশি অতিবাহিত হলেও এখনও পর্যন্ত অধিকাংশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ প্রতিষ্ঠানসমূহে ঘোষিত গেজেট বাস্তবায়ন করা হয়নি। সরকার ঘোষিত গেজেট অনুযায়ী মজুরি পরিশোধ করা না হলে শ্রমআইনের ২৮৯-ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মালিককে ১ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড এবং ২০ হাজার হতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ গেজেট অনুযায়ী শ্রমিকের সকল বকেয়া পাওনা পরিশোধ করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সরকারি আইন কার্যকরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের রয়েছে রহস্যজনক নিরবতা। এমনকি বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হয়ে সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শ্রমমন্ত্রী ৩০ জুন ২০২৬ এর মধ্যে হোটেল সেক্টরের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়নের ডেডলাইন ঘোষণা দেন। কিন্তু এতদ্বসত্ত্বেও হোটেল