আজ-  ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৫শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» আনজুমানে আল ইসলাহ কমলগঞ্জ পৌর ০৮নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে বন্যার্তদের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। «» কমলগঞ্জে ‘অঞ্জলি-২’ এর প্রকাশনা উৎসব «» কমলগঞ্জে শাহিদা পারভীন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সফল ২০ জন সফ বাবাকে সংর্বধনা প্রদান «» কমলগঞ্জে ধলাই নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে ৩ গ্রামের মানুষের মানববন্ধন «» কমলগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে বন্যার অবনতি «» বগুড়া আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত «» বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কে গরু ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার ট্রাকসহ ৭টি গরু উদ্ধার «» কমলগঞ্জে বন্যার্তদের পাশে মুজিবুর রহমান চৌধুরী এমপি «» মলগঞ্জে অবৈধভাবে গড়ে তোলা প্রায় ৩.২৯ হেক্টর পান বাগান উচ্ছেদ করেছে বন বিভাগ «» সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তি পালিত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আলোচিত প্রতিবন্দী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ॥

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাজীপুর এলাকায় আলোচিত প্রতিবন্দী হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে মৌলভীবাজার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
১৮ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দূপুরে পিবিআই কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাহাদাত হোসেন জানান, পূর্বের শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে আপন ভাতিজা বাক ও শারিক প্রতিবন্ধি আরিফুল ইসলাম আরিফ হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রথমে শ্রীমঙ্গল থানায় প্রতিবন্ধির বাবা মোঃ আরবেশ আলী বাদী হয়ে ১৮জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পরে শ্রীমঙ্গল থানা ১৮ জন আসামীর মধ্যে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র পাঠান। ৩ জনের নাম বাদ দেয়ার কারনে আদালতে না রাজি দেন মামলার বাদী। পরে আদালত পিবিআইকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। পিবিআইর দতন্তে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মামলার ২ নং সাক্ষী মোঃ ইয়াকুত আলী ও মোঃ তোফায়েল আহমেদ গ্রেফতার করেন। পরে তারা আদালতে প্রতিবন্ধি আরিফকে হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেয়। হত্যা কান্ডে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করে পিবিআই। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন আছে।
উল্লেখ্য ২০১৭ সালের ২৪ জুন সন্ধ্যার কিছু পূর্বে শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাজীপুর গ্রামে একটি যৌথ পুকুরে রান্নায় ব্যবহৃত হান্ডিবাসন ধোয়াকে কেন্দ্র করে একই বাড়ির ২ পক্ষের মধ্যে কথাকাটাটির জের ধরে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষে ইট পাটকেল নিক্ষেপ হলে এতে ৬/৭ জন আহত হয়। সংঘর্ষ থেমে গেলে আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনার প্রায় পৌনে এক ঘন্টাপর প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই বাড়ির প্রতিবন্ধি আরিফকে তার চাচা মোঃ ইয়াকুত মিয়া ঘর থেকে উঠানে এনে লাটি দিয়ে মাথায় আঘাত করে আহত করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার আরো কয়েকজন সহযোগীর মাধ্যমে একটি সিএনজি অটোরিক্সা দিয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর নামে রাস্তায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ হাসপাতালে নিয়ে যায়।