আজ-  ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৬শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» দক্ষিণ সুরমায় সিলাম সুরমা সমাজ কল্যাণ সংঘের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন «» মৌলভীবাজারে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কাউন্সিলর প্রার্থী হোসাইন আহমদের শুভেচ্ছা «» বগুড়া আদমদীঘিতে বর্ণিল আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রা «» কমলগঞ্জে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান «» দুনিয়ার মজদুর এক হওচা শ্রমিক সংঘ «» মাওলানা মোশাহিদ আলী আজমী ছাহেব রহ একজন আর্দশবান শিক্ষক ও মানবিক মানুষ ছিলেন।  «» কমলগঞ্জে ছয়চিরি দিঘীর পাড়ে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলা মঙ্গলবার শুরু «» চা-শ্রমিক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাঅবিলম্বে ক্যামেলিয়া হাসপাতাল চালু করে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হোক «» Move to Rehabilitate Bank Looters is Self-Defeating: TIB «» শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন

কমলগঞ্জে মসজিদের পাশে জামায়াত নেতার মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা পুলিশ সুপার ও ইউএনও’র কাছে অভিযোগ ॥ এএসপি সার্কেলের সরেজমিন পরিদর্শন

॥ বাবুল চন্দ্র মালাকার ॥
,মৌলভীবাজার; মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের কেছুলুটি গ্রামে দুইটি মসজিদ থাকার পরও জামায়াতে ইসলামী নেতার উদ্যোগে নতুন মসজিদ স্থাপন নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর আপত্তি উপেক্ষা করে জামায়াতে ইসলামী নেতার মসজিদ নির্মাণে এলাকাবাসীর পক্ষে গত রোববার মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার, কমলগঞ্জ থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার মৌলভীবাজারের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) সরেজমিন পরিদর্শন করে মসজিদ নির্মাণের কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত আব্দুল মছব্বির মসজিদ নির্মাণে জামায়াতে ইসলামীর সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে তাদের পারিবারিক উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন। কমলগঞ্জ থানায় দেয়া এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগে জানা যায়, শমশেরনগর ইউনিয়নের কেছুলুটি গ্রামের দক্ষিণাংশে ও উত্তরাংশে পৃথক দুইটি মসজিদ রয়েছে। মসজিদদ্বয়ের দুই পাশের মুসল্লিরা নিয়মিত নামাজ আদায় করে আসছেন। সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী নেতা আব্দুল মছব্বির তার নিজ বাড়ির সম্মুখে জামায়াত শিবির এর কতিপয় লোকজনকে নিয়ে একটি নতুন মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করেন। তাতে এলাকার সুন্নী মুসলমান বাঁধা প্রদান করলেও এলাকাবাসীর বাঁধা উপেক্ষা করে মসজিদের কাজ চালিয়ে যান। ফলে এলাকার মুসলমান সর্বসাধারণের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ফলে যেকোন সময় সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,