আজ-  ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» ঈদ আগে মজুরি-বোনাসের দাবিতে মৌলভীবাজারে ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের বিক্ষোভ মিছিল «» বর্ণাঢ্য আয়োজনে মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল «» কমলগঞ্জে হাজী আরব উল্লাহ-মরিয়ম বেগম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» বগুড়ায় নারীসহ ২ মাদকসেবীর কারাদণ্ড «» কমলগঞ্জে নারী অপহরণের চেষ্টা: ৩ জন গ্রেফতার, ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার «» মৌলভীবাজারে ভাতিজাকে চড় মারাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন «» একাটুনা ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব মৌলভীবাজার এর খাদ্যসামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ «» ভূমিকম্প ও অগ্নি নির্বাপক মহড়ার মধ্য দিয়েকমলগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত «» শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে প্রাইভেট স্কুলকেই উদ্যোগ নিতে হবে- প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌঃ «» লন্ডনে কমলগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ইউকের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

বিকাশের মাধ্যমে কমলগঞ্জের ২ হাজার ৫০ জন চাষীকে সার ও বীজ ক্রয়ের ১২ লক্ষাধিক টাকার সহায়তা প্রদান

॥ বাবুল চন্দ্র মালাকার ॥
দুরুদ আহমেদ ,মৌলভীবাজার; বিকাশের মাধ্যমে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ২ হাজার ৫০ জন চলতি আউশ মৌসুমে উপশি ও নিরিক চাষীকে সার ও বীজ ক্রয়ের জন্য উপজেলা কৃষি বিভাগ ১২ লক্ষাধিক টাকার সহায়তা শুরু। সোমবার (৪ জুন) সকালে বিকাশ এজেন্টের কাছে ১২ লাথ ২৯ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।
কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, খরিপ-১ মৌসুমে ক্ষুদ্র প্রান্তিক চাষীদের মধ্যে বিনা মূলে সার, বীজ ও নগদ সহায়তা বিতরণ কর্মসূচীর আওতায় এ উপজেলায় ২ হাজার ৫০ জনের মধ্যে উপশি চাষীদের জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে প্রেরণ করে বিকাশ। নিরিক ধান চাষীদের জনপ্রতি ১০০০ টাকা করে বিকাশের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।
কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: শামছুদ্দীন আহমদ বলেন, এ বছর থেকে ক্ষুদ্র প্রান্তিক উপশি ১৬৪২ জন চাষীলোখ ২১ হাজার টাকা প্রেরণ করছে বিকাশ। ৪০৮ জন নিরিক ধান চাষীকে জনপ্রতি ১০০০ টাকা করে মোট ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা প্রেরণ করছে বিকাশ। সর্বমোট ২ হাজার ৫গ জন চাসীকে ১২ লাখ ২৯ হাজার টাকা প্রেরণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই বিকাশ এজেন্ট তালিকাভুক্ত ২ হাজার ৫০ জন চাষীর মুঠোফোনে টাকা প্রেরণ শুরু করছে। ২/৩ দিনের মদ্যে তালিকাভুক্ত চাষীদের কাছে এই আর্থিক সহায়তা পৌছে যাবে। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, কৃষি বিভাগের এটি একটি ভাল উদ্যোগ। এখানে সরাসরি প্রকৃত চাষীর মুঠোফোনে টাকা চলে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তাদেরকে ১২ লাখ ২৯ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়