সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ॥ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলজংশন আওতাধীন লস্করপুর রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে মুছরে যাওয়া সিএনজিটি উৎ কোচ নিয়ে গেইটম্যান ও তার সহযোগী ছেড়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় ওই গেইটম্যান প্রায়ই দায়িত্ব অবহেলা করে। ফলে ওই এলাকায় দুর্ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার ১৪জুলাই সকালে চট্রগ্রামগামী একটি মালাবাহী ট্রেইন লস্করপুর ক্রসিংয়ে আসলে গেইটম্যান না থাকায় একটি সিএনজি অটোরিক্সা রেল লাইনের উপর উটে যায়। এসময় সিএনজিটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। লাফ দিয়ে চালক নিচে পড়ে যায়। এসময় ওই সিএনজিতে কোন যাত্রী ছিলনা না। অল্পের জন্য চালক রক্ষা পেলেও সিএনজি রেলের নিচে চাপা পড়ে দুমরে মুচরে যায়। এক পর্যায়ে গেইটম্যান আব্দুল খালেক ও তার নাতি রায়হান মিয়া ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এসে সিএনজিটি আটক করে রাখেন। এবং চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করেন। দুপুর ১২ টার দিকে থানায় অটোরিক্সা সিএনজি জমা না দিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাড়ির ইনর্চাজ (এসআই) শাহ মো: সাজিদুল হক যোগসাজশে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গেইটম্যান খালেক (৭০) ও তার নাতি রায়হান মিয়া (৩০) সিএনজিটি ছেড়ে দেন। এ ব্যাপারে খালেক মিয়া জানায়, উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশে সিএনজিটি ছেরে দিয়েছি। এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ রেল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (এসআই) শাহ মো: সাজিদুল হককে বিষয়টি জানতে চাইলে এ ব্যাপারে তথ্য দিতে ইচ্ছুক নয় কিন্তু সারাদিন অনেক অপেক্ষায় ছিলো স্থানীয় সাংবাদিকরা। পুলিশ ফাড়িতে ছিলো তালা ঝুলানো। পরে রাতের বেলায় শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে মুটোফোনে অবগত করলে তিনি জানান, রেল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ও গেইটম্যান খালেক আমাকে না জানিয়ে সিএনজিটি ছেড়ে দিয়েছে। আমি তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করব। উল্লেখ্য, প্রায়ই খালেককে অবহেলার কারণে ওই লস্করপুর রেল ক্রসিংয়ে ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটছে। শুধু তাই নয় তার সহযোগীতায় ওই স্থানে বিভিন্ন রেল থেকে তেল পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সে স্থানীয় হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।#
.শায়েস্তাগঞ্জে লস্করপুর রেল ক্রসিংয়ে গেইটম্যান না থাকায় দুর্ঘটনা ॥ অল্পের জন্য বেচে গেলেন চালক
Catagory : হবিগঞ্জ | তারিখ : জুলাই, ১৫, ২০১৮, ৭:০৭ অপরাহ্ণ • ৯ বার পঠিত






