স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঢাকা সিলেট মহাসড়কে ৪ লেন রাস্তা উন্নীতকরণ প্রকল্প কাজে ভূমি অধিগ্রহণে অবকাঠামো ও স্থাপনার মূল্য (ভ্যালু) নির্ধারণে দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
এব্যাপারে জনৈক ব্যক্তি মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ করছেন।
অভিযোগে সুত্রে জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের লক্ষ্যে সম্প্রতি মৌলভীবাজার গণপূর্ত বিভাগকে শেরপুরের ব্রাহ্মণগাঁও মৌজার বিন্ডিং এসেসমেন্ট এর দায়িত্ব এস.ডি লুৎফুর রহমান ও জুনিয়র সাব-এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (এস ই ডি) রাহুলকে দেয়া হয়। যার চাকুরী এখনো স্থায়ী হয় নাই।
তারা সেখানে কিছু চিহৃিত দালালদের নিয়ে এসেসমেন্ট এর কাজ শুরু করেন। ক্ষতিগ্রস্থ বিল্ডিং মালিকদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন, দ্বিগুণ টাকার প্রক্কলন করে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দালালচক্রের সংঙ্গে যোগাযোগের জন্য পরামর্শ দেন। ক্ষতিগ্রস্থদের চাপ ও লোভ দেখিয়ে সকাল-বিকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার দামি হোটেলে আদয় করে নেন। দায়ীত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের ছত্রছায়ার দালাল চক্রের নৈরাজ্য চরমে পৌঁছেছে।
ফলে এলাকার ভুক্তভোগী ক্ষতিগ্রস্থ বিল্ডিং এর মালিক তাদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশংকা করছেন। এছাড়া ঐ এলাকায় দালাল চক্র মানুষের সাথে যোগাযোগ ও হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। এর নেপথ্যে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী গোপনে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।
এব্যাপারে মৌলভীবাজারের গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান ও এসডি লুৎফুর রহমান এর সাথে অনেকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তাঁরা ফোন রিসিভ করেননি।






