আজ-  ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৬ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» বগুড়া আদমদীঘিতে নারীসহ ৪জন গ্রেফতার গণেশ মূর্তি উদ্ধার «» গাম্বিয়ার পার্লামেন্টের ভারপ্রাপ্ত স্পীকারের সাথে ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ এর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় «» বগুড়া আদমদীঘিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান «» বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখন লাল কর্মকারের মৃত্যুতে এনসিপি এর শ্রদ্ধাঞ্জলি «» বিশ্ব কবিমঞ্চের নানান আয়োজনে সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালন «» শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর ইউনিয়নে ফলদ, ভেষজ ও বনজ বৃক্ষচারা বিতরণ «» মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ «» Press Release International Day of Democracy 2026 «» নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, বৃক্ষরোপণ ও বই বিতরণ অনুষ্ঠিত «» বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ রাজনীতির মহাপুরুষ সৈয়দ মহসিন আলী- ১১তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ 

সিলেটে পাথর কোয়ারি খুলা ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান


মোজাম্মেল আলী,কার্ডিফ (ইউকে):
সিলেটের খনিজ সম্পদের মধ্যে অন্যতম হলো পাথর কোয়ারী। পাথর কোয়ারী দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অন্যতম ভূমিকা রাখে। দেশের অর্থনীতি ও কর্মহীন শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে বৃহত্তর জৈন্তিয়া এলাকার কোয়ারিগুলি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং পাথর কোয়ারিগুলিতে ঘুষ ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে ‘গ্রেটার জৈন্তিয়া নেটওয়ার্ক ফর জাস্টিস’ ইউকে।বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রধান উপদেষ্টা বরাবর ‘গ্রেটার জৈন্তিয়া নেটওয়ার্ক ফর জাস্টিস’ ইউকের উদ্যোগে জেলা প্রসাশকের কার্যালয়ে স্মরকলিপি জমা দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ সিলেটের সবকটি পাথর কোয়ারী। এরমধ্যে ভোলাগঞ্জ, জাফলং, বিছনাকান্দি, শ্রীপুর সবকটি পাথর কোয়ারী বন্ধ থাকায় স্থানীয় অর্থনৈতিক অবস্থায় চরম সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে সনাতন পদ্ধতির পাথর উত্তোলন প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় জড়িত এ খাতে বিনিযোগকারী হাজার হাজার ব্যবসায়ী ও ৩ উপজেলার এসব কোয়ারীতে শ্রম বিলিয়ে দেয়া লাখো শ্রমিকরা কর্মহীন জীবন যাপন করে আসছে।শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থ, স্থানীয় সিন্ডিকেট এবং উচ্চ কমিশনের জন্য ভারত থেকে পাথর আমদানির কারণে কোয়ারিগুলি বন্ধ করে দেশের অর্থনীতিতে ক্ষতিগ্রস্থ করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বৃহত্তর জৈন্তিয়ার বাসিন্দারা, ‘গ্রেটার জৈন্তিয়া নেটওয়ার্ক ফর জাস্টিস – ইউকে’-এর ব্যানারে, বৃহত্তর জৈন্তিয়া এলাকার সমস্ত কোয়ারিগুলি পুনরায় চালু করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় স্মরকলিপিতে। স্মরকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়, কোয়ারিগুলিতে ঘুষ ও চাঁদাবাজি বন্ধ করে সরকারকে রাজস্ব সংগ্রহ ও শ্রমিকদেও কর্মসংস্থানের কথা ভেবে সনাতন পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারী খুলে দেওয়া, এবং রাতের আধাঁরে দেশের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত এলাকায় চোরাইপথে অবৈধভাবে আসা ভারতী পণ্য বন্ধের জোর দাবি জানানো হয়।