আজ-  ২০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» এখনই পদক্ষেপ নিন: জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছে «» লন্ডনে চতুর্দশ বাংলাদেশ বইমেলায় কবি সৈয়দ কাহেরের কাব্যগ্রন্থ ‘অধরা শেষ না হওয়া’র মোড়ক উন্মোচন, «» কমলগঞ্জে প্রথম শ্রেণীর শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ; অভিযুক্ত আটক «» আনজুমানে আল ইসলাহ কমলগঞ্জ পৌর ৮নং ওয়ার্ডের পবিত্র আশুরা উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও সেমিনার সম্পন্ন।  «» মৌলভীবাজারের নবাগত পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামের সাথে অনলাইন প্রেসক্লাবের মতবিনিময় «» পুরুষের সমতা নিশ্চিত করতে কমপক্ষে দুইজন নারী কমিশনার রাখার সুস্পষ্ট বিধান যুক্ত করতে হবে। «» আদমদীঘিতে বিশেষ বরাদ্দে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করলেন এমপি আব্দুল মহিত তালুকদার «» মৌলভীবাজারে জমিজমা বিরোধে ভাই হত্যার অভিযোগে পরিকল্পনাকারীসহ ৫ জন গ্রেফতার «» শ্রীমঙ্গলে ভুরভুরিয়া ছড়া দখলমুক্ত ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে যৌথ অভিযান «» মৌলভীবাজারে কবি, প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদ শেখ নুরুল ইকবাল স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

পুরুষের সমতা নিশ্চিত করতে কমপক্ষে দুইজন নারী কমিশনার রাখার সুস্পষ্ট বিধান যুক্ত করতে হবে।

কমিশনের কার্যালয় প্রতিষ্ঠা ও সম্প্রসারণের এখতিয়ার (ধারা ৪)

পর্যবেক্ষণ: ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে ঢাকায় কমিশনের প্রধান কার্যালয়সহ প্রতিটি বিভাগে বিভাগীয় কার্যালয় এবং কমিশনের প্রয়োজনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কার্যালয় স্থাপনের এখতিয়ার প্রদান করা হলেও খসড়া আইনে ঢাকার বাইরে বিভাগীয় পর্যায়ে কমিশনের কার্যালয় স্থাপনের বাধ্যবাধকতা বাদ দেওয়া এবং কমিশনের কার্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে সরকারের পূর্ব অনুমোদন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা যুক্ত করা।

সুপারিশ-১৮: খসড়া আইনের ধারা ৪-এ “কমিশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় হবে এবং প্রতি বিভাগে এর বিভাগীয় কার্যালয় থাকবে এবং কমিশন প্রয়োজনে, জেলা, উপজেলা ও ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় অন্য যে কোনো স্থানে কার্যালয় স্থাপন করতে পারবে”Ñ এরূপ বিধান যুক্ত করতে হবে এবং কার্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে সরকারের পুর্বানুমোদন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা বাতিল করে কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা সুসংহত করতে হবে।

কমিশনের কার্যাবলী (ধারা ১৩)

পর্যবেক্ষণ:

  • খসড়া আইনে সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কমিশনের সুনির্দিষ্ট প্রতিরোধমূলক ভূমিকা যেমন, বিভিন্ন অংশীজনদের (নাগরিক সমাজ বা এনজিওর) সাথে সম্পৃক্ততা, জনসচেতনতা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা ইত্যাদি বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত না করা।
  • এ ছাড়া অনগ্রসর ও ঝুঁকিপূর্ণ (ধর্মীয় সংখ্যালঘু, আদিবাসী, প্রতিবন্ধীতাসহ ব্যক্তি, জেন্ডার বৈচিত্র্যসহ নারী, শিশু, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি) জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতকরণ, বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও এর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোনো কাঠামোগত ব্যবস্থা না রাখা।
  • ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে থাকা কমিশনের সুনির্দিষ্ট কার্যাবলীর মধ্যে থেকে মানবাধিকার সংরক্ষণে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সুরক্ষা প্রদানের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে।
  • কমিশনকে নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে লাভজনক কোনো ব্যবসা হতে আয় করার বিধান দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এক্ষেত্রে কোন ধরনের কার্যাবলী বা ব্যবসা সেটা পরিষ্কার করা হয়নি, যা স্বার্থের দ্বন্দ্ব সৃষ্টির ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। এ ধরনের কার্যক্রম কমিশনের মূল উদ্দেশ্য অর্জনকে ব্যাহত করতে পারে।

সুপারিশ-১৯: খসড়া আইনের কমিশনের কার্যাবলীর মধ্যে (ধারা ১৩) নিম্নোক্ত বিষয়গুলো যুক্ত করতে হবে-

১৯.১ মানবাধিকার নিয়ে কর্মরত নাগরিক সমাজ বা এনজিও- এর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা;

১৯.২ মানবাধিকার রক্ষা-সম্পর্কিত শিক্ষা কার্যক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করা;

১৯.৩ মানবাধিকারের বিষয়ে প্রচারণা করা;

১৯.৪ আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানের সঙ্গে সংবিধান বা আপাতঃ বলবৎ কোনো আইন বা প্রস্তাবিত নতুন আইন পর্যালোচনা করা এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো বিধান থাকলে, তা সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিমার্জনের জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ করার ক্ষমতা প্রদান করতে হবে।

১৯.৫ অনগ্রসর ও ঝুঁকিপূর্ণ (ধর্মীয় সংখ্যালঘু, আদিবাসী, প্রতিবন্ধীতাসহ ব্যক্তি, জেন্ডার বৈচিত্র্যসহ নারী, শিশু, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি) জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতকরণ, বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও এর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুনির্দিষ্ট কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা গ্রহণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করতে হবে।

১৯.৬ মানবাধিকার সংরক্ষণে নিয়োজিত ব্যক্তিদের (Human rights defenders) সুরক্ষা প্রদানে পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং মানবাধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে কর্মরত সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণভাবে নাগরিকদের পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা; একইসঙ্গে মানবাধিকার সংরক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে মানবাধিকার কমিশন নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনের পরামর্শ গ্রহণ করবে।

১৯.৭ খসড়া আইনের কমিশনের কার্যাবলীর মধ্যে থেকে কমিশনকে নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে লাভজনক কোনো ব্যবসা হতে আয় করার অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রয়োজনীয় ধারা [ধারা ১৩ (ট)] বাদ দিতে হবে।  

কমিশনের কার্যাবলির বার্ষিক প্রতিবেদন (ধারা ২৬)

পর্যবেক্ষণ: জনপ্রতিনিধি স্তরে মানবাধিকার সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধি ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সংসদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের বিষয় খসড়া আইনে যুক্ত করা হয়নি।

সুপারিশ-২০: কমিশনের জবাবদিহি ও অধিকতর কার্যকরতা নিশ্চিতে বার্ষিক প্রতিবেদন জাতীয় সংসদের স্পিকারের মাধ্যমে সরাসরি সংসদে উপস্থাপনের জন্য সুস্পষ্ট বিধান যুক্ত করতে হবে। সেইসাথে প্রতিবেদন মূল্যায়ন এবং কমিশনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সহিত অন্তর্ভুক্তিমূলক মতবিনিময় সভার পাশাপাশি গণশুনানী আয়োজনের বিধান যুক্ত করতে হবে।

কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা (ধারা ৩৬)  

পর্যবেক্ষণ:

  • ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে বার্ষিক বরাদ্দ নির্ধারণের আগে সরকারকে কমিশন প্রদত্ত নিজস্ব বাজেট প্রস্তাব প্রদান এবং সরকারকে তা বিবেচনা করার বাধ্যবাধকতা রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও খসড়া আইনে কমিশনের বাজেট একতরফাভাবে সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল করা হয়েছে।
  • নির্বাহী হস্তক্ষেপ থেকে সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদান করার জন্য ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে সংবিধানের ৮৮ নং অনুচ্ছেদের অধীনে কমিশনারগণের প্রদেয় পারিশ্রমিক ও ভাতাদি সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয় হিসেবে পরিশোধের বিধান থাকলেও খসড়া আইনে তা সম্পূর্ণরূপে বাতিল; খসড়া আইনে এর কোনো বিকল্প ব্যবস্থা এবং পদ্ধতিগত সুরক্ষাব্যবস্থা না রেখে বাজেটের পরিমাণ এবং কমিশনারদের পারিশ্রমিক উভয়ের ওপরই নির্বাহী বিভাগের পূর্ণ স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

সুপারিশ-২১: খসড়া আইনের ধারা ৩৬(১) সংশোধন করে “সরকার প্রতি অর্থবছরে কমিশনের ব্যয়ের জন্য কমিশন হতে প্রাপ্ত প্রস্তাব তার অনুকূলে সংযুক্ত তহবিলের ওপর দায়যুক্ত ব্যয় হিসেবে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করবে এবং অনুমোদিত ও নির্ধারিত খাতে উক্ত বরাদ্দকৃত অর্থ হতে ব্যয় করার ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করা কমিশনের জন্য আবশ্যক হবে না।”Ñ এরূপ বিধান যুক্ত করতে হবে।

সুপারিশ-২২: খসড়া আইনে কমিশনের ওপর নির্বাহী হস্তক্ষেপ থেকে সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদানের জন্য ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের ন্যায় “সংবিধানের ৮৮ নং অনুচ্ছেদের অধীনে কমিশনারগণের প্রদেয় পারিশ্রমিক ও ভাতাদি সংযুক্ত তহবিলের ওপর দায়যুক্ত ব্যয় হিসেবে পরিশোধের” বিধান সংযুক্ত করতে হবে।

মানবাধিকার কমিশন তহবিল (ধারা ৩৫)

পর্যবেক্ষণ: ধারা ৩৫(৪) এর দফা (গ), (ঘ), (ঙ) ও (চ) – এ উল্লেখিত কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান ও অন্য কোনো উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ গ্রহণের অস্পষ্ট ও বিস্তৃত বিধানের ফলে স্বার্থের দ্বন্দ্ব সৃষ্টির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সেইসাথে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় রাষ্ট্রীয় তহবিল প্রাপ্তির সুযোগ থাকার পরেও কমিশনের ওপর তহবিল সংগ্রহের মতো অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রয়োজনীয় দায়িত্বের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সুপারিশ-২৩: কমিশনের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে তহবিল সংগ্রহ সংশ্লিষ্ট “অন্য কোনো” অস্পষ্ট ও বিস্তৃত বিধান বাতিল করতে হবে।  

বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা (ধারা ৪০)  

পর্যবেক্ষণ: খসড়া আইনে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা সরকারকে প্রদান করা হয়েছে, যা কমিশনের স্বাধীনতাকে খর্ব করে; এর মাধ্যমে সরকার কর্তৃক কমিশনের ওপর প্রভাব বিস্তারের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

সুপারিশ-২৪: খসড়া আইনে কমিশনের স্বাধীনতাকে সম্মুন্নত রাখার জন্য খসড়া আইনের ধারা ৪০ সংশোধন করে “এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কমিশন, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রবিধান প্রণয়ন করতে পারবে। তবে শর্ত থাকে যে, প্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত, কমিশন লিখিত আদেশ দ্বারা যে পদ্ধতি নির্ধারণ করবে, কমিশন তার কার্য নির্বাহের ক্ষেত্রে উক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করবে” Ñ এরূপ ধারা যুক্ত করতে হবে।

পরিতাপের বিষয়, একদিকে সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র অনুযায়ী মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করেছে, সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার কোনো প্রচেষ্টা আলোচ্য খসড়ায় যেমন প্রতিফলিত হয়নি। তেমনিভাবে যে অভিজ্ঞতার ভিতর দিয়ে বিগত কর্তৃত্ববাদী সময়ে দেশবাসী, এখনকার সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সব রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের প্রায় সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীগণ গেছেন, সেই অভিজ্ঞতার থেকেও আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেছেন বলে মনে হচ্ছে না। তাই বিগতসময়ের অভিজ্ঞতা ও ইশতেহারে ঘোষিত অঙ্গীকার অনুযায়ী আলোচ্য খসড়াটির যে সকল বিতর্কিত ধারাসমূহের ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা হয়েছে, তা যথাযথভাবে বিবেচনায় নিয়ে একটি কার্যকর ও স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠায় সরকার আন্তরিক হবেÑএই প্রত্যাশা করছি।

* হিউম্যান রাইটস ফোরাম (এইচআরএফবি)- এর সদস্য সংস্থাসমূহ:

  • আইন ও সালিশ কেন্দ্র (ASK)
  • অ্যাসিড সারভাইর্ভাস ফাউন্ডেশন (ASF)
  • বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST)
  • বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ (BMP)
  • অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ALRD)
  • নিজেরা করি
  • নাগরিক উদ্যোগ
  • মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (MSF)
  • বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম
  • কাপেং ফাউন্ডেশন
  • ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স (BTS)
  • বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (BILS)
  • কর্মজীবী নারী
  • বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (BDERM)
  • বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি (BSWS)
  • স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট
  • ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)
  • মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (MJF)
  • নারীপক্ষ
  • ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অব ডিজ্যাবলড পিপলস অর্গানাইজেশন (NADPO)