আজ-  ১৯শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» টিআইবির গবেষণা নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক: টিআইবি «» তারকাখচিত জাতীয় অ্যাওয়ার্ডসে জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হলো ব্রিটেনের কারি শিল্প «» কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন, গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আবেগঘন শুভেচ্ছা বিনিময় «» সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মামলা, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ «» সান্তাহারে হোটেলের খাবার খেয়ে পাঁচজন হাসপাতালে, কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে অভিযোগ «» অন্যের প্ররোচনায় অভিযোগ দায়ের) আদমদীঘিতে ভূমি অফিসের হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মুসলেকা দেন অভিযোগকারী «» কমলগঞ্জের জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত; আটক ১ «» কমলগঞ্জের জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত; আটক ১ «» সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারহীনতা অবসানের আন্তর্জাতিক দিবসে ইউনেস্কো ঢাকা কার্যালয়ের বিবৃতি «» মৌলভীবাজারে ফ্রী চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত

অন্যের প্ররোচনায় অভিযোগ দায়ের) আদমদীঘিতে ভূমি অফিসের হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মুসলেকা দেন অভিযোগকারী

(বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘিতে উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে খতিয়ান সংশোধনের নামে হয়রানির অভিযোগ এনে তা প্রমাণ করতে না পারায় লিখিত মুসলেকা দিলেন দুই অভিযোগকারী। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে তাঁদের ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়। শুনানিতে অভিযোগকারীরা জানান, এক ব্যক্তির প্ররোচনায় তাঁরা অভিযোগটি করেছিলেন। তবে ভূমি অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী তাঁদের কাছে টাকা দাবী করেননি বলেও স্বীকার করেন। শুনানিতে খতিয়ান সংশোধনের আবেদনের সপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অভিযোগের যথাযথ ভিত্তি উপস্থাপন করতে না পারায় তাঁদের বক্তব্য নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগমের সভাপতিত্বে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম, কানুনগো আসাদুল ইসলাম ও সদর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ফজলুল হক। জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের কুসম্বি গ্রামের ময়েন সরকার ও মুনছুর আলম প্রামাণিক খতিয়ান সংশোধনের জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করেছিলেন বলে দাবী করেন। এ সময় ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলে গত ১ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন তাঁরা। অভিযোগে ভূমি অফিসের সেবাপ্রক্রিয়া নিয়ে হয়রানি ও অসন্তোষের বিষয়ও তুলে ধরা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার তাঁদের ডেকে শুনানি করা হয়। শুনানিতে ইউএনও অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে অভিযোগকারীরা খতিয়ান সংশোধনের জন্য করা মিসকেস আবেদনের রিসিভ কপি দেখাতে পারেননি। এমনকি তাঁদের কাছে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী টাকা দাবি করেছেন কি না সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম জানান, কয়েক মাস আগে অভিযোগকারীরা ভূমি অফিসে এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয়েছিল খতিয়ানের নামের বানান বা করণিক ভুল সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে তাঁদের খতিয়ানের যে ধরনের ভুলের কথা বলা হয়েছে এটা আমাদের আওতাভুক্ত নয়। এ ক্ষেত্রে আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। শুনানির একপর্যায়ে অভিযোগকারীরা জানান, এক ব্যক্তির প্ররোচনায় তাঁরা অভিযোগটি করেছিলেন। অভিযোগের রিসিভ কপি নিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তাঁরা। সংবাদপত্রে প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তাঁরা বলেন, ঘুষ দাবির বিষয়টি তাঁরা নিজেরা বলেননি। পরে শুনানি শেষে অভিযোগকারীরা নিজেদের ভুল স্বীকার করেন। ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ না করার বিষয়ে তাঁদের সতর্ক করে লিখিত মুসলেকা নেওয়া হয়।