ঢাকা, ৫ নভেম্বর ২০২৬
বিদ্যালয়ে সহিংসতা ও বুলিং প্রতিরোধে করণীয় ঠিক করতে আজ দেশের ২০টি জেলার ২৭টি উপজেলার ৩০টি বিদ্যালয়ে একত্র হয়েছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও নিরাপদ ও সহায়ক করে তুলতে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি এবং সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সাইবার বুলিংসহ বিদ্যালয়ে সহিংসতা ও বুলিং প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে এসব কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা ও সুস্থতা: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়ন’।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) সহযোগিতায় স্বাস্থ্য বান্ধব স্কুল (এইচপিএস) কর্মসূচির আওতায় এসব কার্যক্রমে সহায়তা করছে ইউনেস্কো ঢাকা। সহিংসতা প্রতিরোধের পাশাপাশি এই উদ্যোগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে মানসিক সুস্থতা, শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা, সবার জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ এবং অনলাইন নিরাপত্তার ওপর।
নায়েম এর মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক বলেন, “সুস্থ জাতি গঠনে প্রশিক্ষিত শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এইচপিএস কর্মসূচির আওতায় শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতাবিষয়ক শিক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে নায়েম। এতে মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতা, নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধ, প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত সেবার সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা এবং মানসিক সংকটে প্রাথমিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়গুলো থাকছে। বিদ্যালয়ে ছেলে বা মেয়ে বলে কোনো শিক্ষার্থী যেন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার না হয়, তা প্রতিরোধ ও মোকাবিলার বিষয়েও শিক্ষকদের প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে এসব সমস্যা বন্ধ করতে বিদ্যালয় ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
মাউশি ও নায়েমের তৈরি নির্দেশিকা অনুসরণ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সমাজের প্রতিনিধিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও উদ্বেগ তুলে ধরছেন। সহিংসতা ও বুলিং ঠেকাতে বিদ্যালয় এবং পরিবার একসঙ্গে কী করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা করছেন তারা।
ছেলে বা মেয়ে বলে কোনো শিক্ষার্থী যেন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এসব আলোচনায়। পাশাপাশি উঠে আসছে বুলিং ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধের বিষয়গুলো। শিক্ষার্থীরা কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, তা সরাসরি তাদের কাছ থেকেই শোনার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও সহায়তাব্যবস্থায় কী পরিবর্তন আনা দরকার, তা নিয়ে আলোচনা করছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক
বিদ্যালয় গড়তে একসঙ্গে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা
Catagory : সারা দেশ | তারিখ : নভেম্বর, ৫, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ • ৩ বার পঠিত






