আজ-  ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» শহীদ জিয়ার আদর্শে তৃণমূল থেকে উঠে আসাছাত্রদল,যুবদল হয়ে বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। «» ১৭/০৫/২০২৬মৌলভীবাজার চা-শ্রমিক সংঘের শ্রম মন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি «» বৃটেনে নিউপোর্ট রয়্যালস স্পোর্টস ক্লাবের উৎসবমুখর পরিবেশে জার্সি উন্মোচন «» ক্যামেলিয়া হাসপাতাল চালু, ঐশী রবিদাসের মৃত্যুর যথাযথ তদন্তসহ ৪ দফা দাবিতে চা-শ্রমিকদের স্বারকলিপি প্রদান «» সময় বাড়লো! দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০২৬-এর জন্য প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বর্ধিত শেষ তারিখ ৩১ মে ২০২৬ «» শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথমবারের মতো ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত «» বগুড়া আদমদীঘিতে ঝড়ে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন এলাকা «» সন্ত্রাসী হামলার ভয়ে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বাড়ি ছাড়া মৌলভীবাজারের শেখ ছালাম «» বাচ্চা লড়ছে হামের সঙ্গে, বাবার লড়াই অর্থ জোগাড়ে «» কমলগঞ্জে অধ্যক্ষ কোরেশ খানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

শহীদ জিয়ার আদর্শে তৃণমূল থেকে উঠে আসাছাত্রদল,যুবদল হয়ে বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী।

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে একটি সুপরিচিত ও সৎ এবং নিষ্ঠাবান আস্থার নাম মোঃ আব্দুস সালাম দীর্ঘ ২৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর আদর্শে অবিচল থেকে তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় রাজপথে লড়াই করে যাচ্ছেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই কর্মী বর্তমানে কমলগঞ্জ পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

মোঃ আব্দুস সালাম রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ২০০১ সালে। কমলগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ (বর্তমান কমলগঞ্জ সরকারি গণ মহাবিদ্যালয়)ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে শুরু করে তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েন।
( স্বৈরাচার) আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গত ১৬ বছর আন্দোলন সংগ্রামে তিনি রাজপথে সক্রিয় ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং আন্দোলনের সময় বিভিন্ন জায়গায় হামলার শিকার হন।

রাজনৈতিক কার্যক্রম ২০০৩ কমলগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের সিনিয়র সদস্য মনোনিত হয়ে ঐ কলেজেই প্রায় ৪০ জন ছাত্রকে জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের ছায়া তলে নিয়ে আসেন।কলেজে লেখাপড়া শেষে পরবর্তী সময়ে কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য মনোনীত হন।

২০১৮ সালে কমলগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মনোনীত হন। এবং ধারাবাহিক রাজনৈতিক পথ চলা শুরু। তিনি আরও বলেন দলের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার জন্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দেরা ঐ বছরেই ৩০/০৮/২০১৮ ইং তারিখ জেলা বিএনপি কতৃক ঘোষিত কমিটির, কমলগঞ্জ পৌর বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক মনোনীত করা হন ।পরবর্তীতে ২৪/০৮/২০২৩ ইং তারিখ মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির কতৃক ঘোষিত কমিটির কমলগঞ্জ পৌর বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য মনোনীত করা হন।

আন্দোলন সংগ্রামের সক্রিয় ভূমিকার ধারাবাহিকতার পরবর্তীতে ০৪/০১/২০২৫ ইং তারিখ মৌলভীবাজার জেলা আহব্বায়ক কমিটি কর্তৃক ঘোষিত কমলগঞ্জ পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটির ১০ নং সদস্য মনোনীত করা হয়,এবং ঐ কমিটি বর্তমান চলমান।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি ছাত্রদল, যুবদল হয়ে বিএনপির বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কমলগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ২১ সদস্যের ১০ নং সদস্য হিসেবে মাঠে ময়দানে এবং বিভিন্ন প্রোগ্রামে কাজ করছেন। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সংগঠিত রাখা এবং দলের দুঃসময়ে পাশে থাকার কারণে তিনি তৃণমূলের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।

রাজনীতির বাইরেও তিনি বিশেষ করে মানবতার কল্যাণে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন সময়ে মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছে এবং সামাজিক ও ব্যবসায়িক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
তিনি ইনসাফ সমাজ কল্যাণ পরিষদ কমলগঞ্জ এর প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
তিনি মানবাধিকার সংস্থা ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি(এনপিএস) মৌলভীবাজার জেলা শাখার কোঅর্ডিনেটর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এছাড়াও কমলগঞ্জ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির অবিভাবক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং কমলগঞ্জ উপজেলা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। একজন পল্লী চিকিৎসক হিসাবে জনগণের সেবার পাশাপাশি,তিনি বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতির কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

কমলগঞ্জ পৌরসভার একজন স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে তিনি স্থানীয় জনগণের সুখে-দুঃখে সর্বদা পাশে থাকেন। নিজ উপজেলায় একাধিক সামাজিক কর্মকান্ড পেরিয়ে বিভিন্ন জেলা শহরেও একাধিক সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত ছিলেন, সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে এবং পৌরসভার সার্বিক অবকাঠামো ও সামাজিক উন্নয়নে আগামী দিনে তিনি আরও বড় পরিসরে ভূমিকা রাখতে চান।ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতা হিসেবে মোঃ আব্দুস সালাম (সমাজকর্মী ও সংবাদকর্মী ) এর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা কমলগঞ্জের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা। রাজপথের লড়াই থেকে শুরু করে সামাজিক সেবা—সবক্ষেত্রেই তিনি একজন সফল ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
শেষে তিনি গুরুত্বসহকারে একটি কথা বলেন,
মানুষ মরে গেলেও বেঁচে থাকে তার কর্মে।
দেশ এবং জনগণের কল্যাণে সর্বসাধারণের সহযোগিতা সব সময় কামনা করেন।