আজ-  ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» আপনার দেওয়া তথ্যগুলো সংবাদভাষায় সাজিয়ে দিলাম। তবে প্রকাশের আগে দলীয় মনোনয়ন ও উপনির্বাচনসংক্রান্ত তথ্যগুলো একবার যাচাই করে নেওয়া ভালো। «» জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার ও বিশ্ব বাস্তবতা «» অংশীজনদের মতামতের আলোকে ঢেলে সাজাবার আহ্বান টিআইবির «» শ্রীমঙ্গলে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মুখপোড়া হনুমানের মৃত্যু «» কমলগঞ্জে আনসার ভিডিপি সদস্যের উদ্যোগে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান «» কমলগঞ্জে রত্নগর্ভা মা সম্মাননা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা «» মৌলভীবাজারে ডিএনসির পৃথক অভিযান: চোলাইমদ ও গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার-২ «» যুক্তরাজ্যের এনফিল্ডে ব্রিটিশ বাংলাদেশি কাপ ও জমজমাট কমিউনিটি ডে অনু‌ষ্ঠিত «» কমলগঞ্জে ১০ দিনব্যাপী  মণিপুরি লিপি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সমাপ্ত «» কমলগঞ্জে চিরকুট লিখে তরুণীর আত্মহত্যা

আপনার দেওয়া তথ্যগুলো সংবাদভাষায় সাজিয়ে দিলাম। তবে প্রকাশের আগে দলীয় মনোনয়ন ও উপনির্বাচনসংক্রান্ত তথ্যগুলো একবার যাচাই করে নেওয়া ভালো।


Writing
ব্রিটেনের রাজনীতিতে দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে লড়াই করে আলোচনায় হামজা চৌধুরী
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
যুক্তরাজ্যের মূলধারার রাজনীতিতে সাহসী অবস্থান নিয়ে আলোচনায় এসেছেন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি তরুণ রাজনীতিক ও ক্যামডেন কাউন্সিলের গ্রিন পার্টির কাউন্সিলর হামজা চৌধুরী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের ছেড়ে দেওয়া ‘হোলবোর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস’ আসনের উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে নিজ দলের শীর্ষনেতা জ্যাক পোলানস্কির (Zack Polanski) বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি।
মৌলভীবাজারের কনকপুর গ্রামের সন্তান হামজা চৌধুরী লন্ডনে বেড়ে ওঠা একজন উদীয়মান রাজনীতিক। দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে তিনি স্থানীয় নেতৃত্ব, কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব এবং বহুত্ববাদী রাজনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
হামজা চৌধুরীর বক্তব্য ছিল, নির্বাচনের সময় শুধু লিফলেট হাতে এলাকায় আসা কোনো বহিরাগত প্রার্থীর চেয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নিয়মিতভাবে কাজ করা একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিই ওই এলাকার জন্য বেশি কার্যকর প্রতিনিধি হতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, হোলবোর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস এলাকায় বড় বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস রয়েছে। তাই স্থানীয় ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি প্রার্থী নির্বাচিত হলে এলাকার বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব।
দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় হামজা চৌধুরীর পক্ষে ক্যামডেন কাউন্সিলের গ্রিন পার্টির ছয়জন কাউন্সিলর সমর্থন দেন বলে জানা গেছে।
তবে ভোটাভুটির পর শেষ পর্যন্ত দলীয় নেতা জ্যাক পোলানস্কিই মনোনয়ন লাভ করেন। এতে হামজা চৌধুরী মনোনয়ন না পেলেও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নিজের প্রার্থিতা ও রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরার কারণে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ প্রবাসী সমাজে তিনি আলোচনায় এসেছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, স্থানীয় নেতৃত্ব, কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব এবং বৈচিত্র্যকে সামনে রেখে হামজা চৌধুরীর এই অবস্থান যুক্তরাজ্যের মূলধারার রাজনীতিতে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি তরুণদের অংশগ্রহণের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।