আজ-  ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৬শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» দক্ষিণ সুরমায় সিলাম সুরমা সমাজ কল্যাণ সংঘের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন «» মৌলভীবাজারে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কাউন্সিলর প্রার্থী হোসাইন আহমদের শুভেচ্ছা «» বগুড়া আদমদীঘিতে বর্ণিল আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রা «» কমলগঞ্জে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান «» দুনিয়ার মজদুর এক হওচা শ্রমিক সংঘ «» মাওলানা মোশাহিদ আলী আজমী ছাহেব রহ একজন আর্দশবান শিক্ষক ও মানবিক মানুষ ছিলেন।  «» কমলগঞ্জে ছয়চিরি দিঘীর পাড়ে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলা মঙ্গলবার শুরু «» চা-শ্রমিক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাঅবিলম্বে ক্যামেলিয়া হাসপাতাল চালু করে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হোক «» Move to Rehabilitate Bank Looters is Self-Defeating: TIB «» শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন

ফুটপাতেও হেকিম কবিরাজদের দৌরাত্ম!

 


সুমন আহমদ: কুলাউড়া

শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে মনভূলানো বিথিকিচ্ছা আর নানান কলাকৌশলে চলছে হেকিম-কবিরাজদের দৌরাত্ম। বিভিন্ন গাছের ছাল, পাতা দিয়ে তাদের ভাষায় বনাজী ঔষধ তৈরী করা হয়। মনভূলানো কথার ফাদে পড়ে অনেকেই এই সেবা নিতে তাদের দ্বারস্থ হন। অল্প টাকার ঔষধে রোগ সরানোর আশায় মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত পরিবারের সাধারণ মানুষ এসবের শিকার হচ্ছেন। ফুটফাতে আসন গাড়িয়ে প্রথমে হেকিম-কবিরাজরা িি এরপর পৃষ্ঠা-৭
ঔষধের পসরা সাজায়। তারপর আল্লাহ-রাসুলের নাম নিয়ে শুরু করে তাদের চিকিৎসার ইতিকথা। হ্যা- মাইক দিয়ে প্রথমে তাদের চিকিৎসার ফায়দার কথা মানুষদের শুনায়। ঔষদের উপকারের কথা শুনে সাধারণ মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে চলে ওষুধ বিক্রির হিড়িক। প্রতি ফাইল ৫০-২০০ টাকা। ঔষধ লাগিয়ে অথবা খাইয়ে অল্প সময়ের মধ্যে রোগীদের সমস্যার সমাধান পাওয়ার কথাও বলেন তারা।
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক আইনে বলা আছে- অনিবন্ধিত কোন স্থানে ওষুধ বিক্র করা যাবে না। কিন্তু আইন না মেনে চলে দিনের পর দিন ফুটপাতে চিকিৎসা ব্যবসা। কুলাউড়া শহরেও ফুটফাতে চলে হারবাল চিকিৎসার রমরমা ব্যবসা।
খোজ নিয়ে জানা গেছে- এসকল হেকিম-কবিরাজদের নেই কোন রেজিষ্ট্রারি সনদপত্র, নেই এসব ঔষধের অনুমোদন, তারপরও তারা নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেন। বলেন- চিকিৎসায় তাদের র্দীঘদিনের অজ্ঞিতা রয়েছে। এসব কথা বলে সাধারণ মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। বাতের ব্যথা, টিউমার, হ্যাপাটাইটিস, প্যারালাইসিস, ডাইবেটিস, হাঁপানি, অর্শ, গেজ, পাইলস, চর্ম ও যৌনরোগ ছাড়াও অন্যান্য পুরাতন জটিল ও গ্যারান্টিসহ চিকিৎসার কথা বলেন। মুহুর্তের মাঝে ঔষধের ফলাফল, বিফলে মূল্য ফেরত এবং ঔষধ সেবনের পরে কাজ হলে ধর্মীয়শালায় টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হয় তাদের।
কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নুরুল হক বলেন- মানুষের দেহে প্রত্যেকটি সমস্যার পেছনে কারণ থাকে এবং সেগুলো নিরূপণ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তিনি বলেন- আমি খোজ নিয়ে দেখব, কুলাউড়ার কোথাও ফুটপাতে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসার খবর পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে।