আজ-  ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৬শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» দক্ষিণ সুরমায় সিলাম সুরমা সমাজ কল্যাণ সংঘের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন «» মৌলভীবাজারে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কাউন্সিলর প্রার্থী হোসাইন আহমদের শুভেচ্ছা «» বগুড়া আদমদীঘিতে বর্ণিল আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রা «» কমলগঞ্জে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান «» দুনিয়ার মজদুর এক হওচা শ্রমিক সংঘ «» মাওলানা মোশাহিদ আলী আজমী ছাহেব রহ একজন আর্দশবান শিক্ষক ও মানবিক মানুষ ছিলেন।  «» কমলগঞ্জে ছয়চিরি দিঘীর পাড়ে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলা মঙ্গলবার শুরু «» চা-শ্রমিক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাঅবিলম্বে ক্যামেলিয়া হাসপাতাল চালু করে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হোক «» Move to Rehabilitate Bank Looters is Self-Defeating: TIB «» শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন

রৌমারীতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের ফলুয়ারচর মোড়ল মেম্বারপাড়া, পশ্চিম ফলুয়ারচর ও পালেরচর গ্রামগুলো ব্রহ্মপুত্র নদের একটি ছোট চ্যানেল দ্বারা উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রায় ২৫ বছর থেকে।

তিনটি গ্রামে বসবাসরত  স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষসহ কৃষি ফসল ও মালামাল পরিবহনের জন্য নিত্যদিনের সঙ্গী ছোট ছোট নৌকা। প্রাণহানির ভয় নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যেতে হয়। এছাড়া ছোট নৌকা দিয়ে সাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান গাড়ি, ঠেলা গাড়িসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পারাপার অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে ছিল। যোগাযোগের বিচ্ছিন্ন বিষয়টি নিয়ে ভাবিয়ে তুলে স্থানীয় ছাত্র ও যুবসমাজকে। গ্রামবাসীর উদ্যোগে সাড়ে ৩শ’ ফিট বাঁশের সাঁকো তৈরি করে প্রমাণ করলো, ‘মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ’। এ বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ হওয়ায় দীর্ঘ ২৫ বছরের যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম দুর্ভোগ থেকে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও পরিত্রাণ পেল তিনটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ।

ফলুয়ারচর গ্রামের বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কারিগরের একজন যুবক শাহাদ আলী শিতল শিকদার বলেন, বছরে প্রায় ৮ মাস খালে বেশি পানি থাকে তখন আমরা নৌকা দিয়ে পারাপার হই। বাকি সময় পায়ে হেঁটে খাল পাড়ি দিয়ে আমরা কর্মস্থলে যাই। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনে ঝুঁকি নিয়ে এই খালটি পাড়ি দেয়। এই পারাপারের কষ্ট থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার লক্ষ্যে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে বাঁশ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করেছে।