আজ-  ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» শোষণ-বঞ্চণার বিরুদ্ধে সংগ্রাম তীব্রতর করার প্রত্যয়ে জুড়ীতে ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের মে দিবস পালন «» মৌলভীবাজার ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের মে দিবস পালন‘৮ ঘন্টা শ্রম দিবসের সংগ্রামকে মজুরি দাসত্বের শৃঙ্খল ভাঙ্গার সংগ্রামে পরিণত করুন’ «» কুলাউড়ায় হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের মে দিবস পালন «» বার্তা সম্পাদক/প্রধান প্রতিবেদক/ব্যুরো প্রধান/নগর সম্পাদক «» বগুড়া আদমদীঘিতে বাক প্রতিবন্ধী যুবককে বলাৎকার: এক যুবক  গ্রেপ্তার  «» বগুড়া আদমদীঘিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শ্রমিক দিবস পালন «» মন্ত্রী ও সচিবদের সাথে বারবার ধর্ণা দিয়েছিলাম। বর্তমান সরকারের আমলে আমরা বৈষম্যের অবসান চাই। আমরা চা শ্রমিকদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ আইনের সংশোধন চাই। «» শিকাগোতে ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে ১০-১৫জনের আত্মত্যাগে আন্তর্জাতিক শ্রমিক «» সংরক্ষিত নারী আসনে দুই-তৃতীয়াংশই উচ্চশিক্ষিত ও কোটিপতি: হলফনামায় প্রদত্ত তথ্য বিশ্লেষণ টিআইবির «» মৌলভীবাজারে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

রৌমারীতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের ফলুয়ারচর মোড়ল মেম্বারপাড়া, পশ্চিম ফলুয়ারচর ও পালেরচর গ্রামগুলো ব্রহ্মপুত্র নদের একটি ছোট চ্যানেল দ্বারা উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রায় ২৫ বছর থেকে।

তিনটি গ্রামে বসবাসরত  স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষসহ কৃষি ফসল ও মালামাল পরিবহনের জন্য নিত্যদিনের সঙ্গী ছোট ছোট নৌকা। প্রাণহানির ভয় নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যেতে হয়। এছাড়া ছোট নৌকা দিয়ে সাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান গাড়ি, ঠেলা গাড়িসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পারাপার অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে ছিল। যোগাযোগের বিচ্ছিন্ন বিষয়টি নিয়ে ভাবিয়ে তুলে স্থানীয় ছাত্র ও যুবসমাজকে। গ্রামবাসীর উদ্যোগে সাড়ে ৩শ’ ফিট বাঁশের সাঁকো তৈরি করে প্রমাণ করলো, ‘মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ’। এ বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ হওয়ায় দীর্ঘ ২৫ বছরের যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম দুর্ভোগ থেকে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও পরিত্রাণ পেল তিনটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ।

ফলুয়ারচর গ্রামের বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কারিগরের একজন যুবক শাহাদ আলী শিতল শিকদার বলেন, বছরে প্রায় ৮ মাস খালে বেশি পানি থাকে তখন আমরা নৌকা দিয়ে পারাপার হই। বাকি সময় পায়ে হেঁটে খাল পাড়ি দিয়ে আমরা কর্মস্থলে যাই। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনে ঝুঁকি নিয়ে এই খালটি পাড়ি দেয়। এই পারাপারের কষ্ট থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার লক্ষ্যে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে বাঁশ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করেছে।