আজ-  ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» শোষণ-বঞ্চণার বিরুদ্ধে সংগ্রাম তীব্রতর করার প্রত্যয়ে জুড়ীতে ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের মে দিবস পালন «» মৌলভীবাজার ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের মে দিবস পালন‘৮ ঘন্টা শ্রম দিবসের সংগ্রামকে মজুরি দাসত্বের শৃঙ্খল ভাঙ্গার সংগ্রামে পরিণত করুন’ «» কুলাউড়ায় হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের মে দিবস পালন «» বার্তা সম্পাদক/প্রধান প্রতিবেদক/ব্যুরো প্রধান/নগর সম্পাদক «» বগুড়া আদমদীঘিতে বাক প্রতিবন্ধী যুবককে বলাৎকার: এক যুবক  গ্রেপ্তার  «» বগুড়া আদমদীঘিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শ্রমিক দিবস পালন «» মন্ত্রী ও সচিবদের সাথে বারবার ধর্ণা দিয়েছিলাম। বর্তমান সরকারের আমলে আমরা বৈষম্যের অবসান চাই। আমরা চা শ্রমিকদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ আইনের সংশোধন চাই। «» শিকাগোতে ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে ১০-১৫জনের আত্মত্যাগে আন্তর্জাতিক শ্রমিক «» সংরক্ষিত নারী আসনে দুই-তৃতীয়াংশই উচ্চশিক্ষিত ও কোটিপতি: হলফনামায় প্রদত্ত তথ্য বিশ্লেষণ টিআইবির «» মৌলভীবাজারে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রী

দীপ্ত রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণের জন্যই পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সংসদে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ পয়েন্ট অর্ডারে পরীক্ষা পদ্ধতির বিষয়টি উত্থাপন করলে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। খবর বাসসের
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে বিদ্যালয়ের কয়েকজন নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে পড়াশুনা করানোর মাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হতো। এতে অন্য শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হতো। সরকার কয়েকজন বাছাইকৃত শিক্ষার্থী নিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তে সকলে যেন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে এ জন্য বর্তমান পদ্ধতি চালু করেছে।
তিনি বলেন, পরীক্ষার ফলাফলের পর একজন শিক্ষার্থী যখন একটি সার্টিফিকেট হাতে পান তখন তাদের মনে আনন্দ, আত্মতৃপ্তি ও মনোবল সৃষ্টি হয়। পরে তারা যখন এএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় তখন তাদের মধ্যে এই মনোবলটা কাজ করে। পরীক্ষা সম্পর্কে ভীতি দূর হয়। এতে তাদের পরীক্ষায় ভাল ফল করার পাশাপাশি কে কোন বিষয়ে পরে পড়াশুনা করবে এই বিষয়টিও নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। এ বিষয়ে রিট করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এক শ্রেণীর লোক রয়েছে যারা কথায় কথায় আদালতে রিট দায়ের করেন। এতোসব বিষয় থাকতে শিক্ষা নিয়ে তাদের এই রিট অত্যন্ত দুঃখজনক।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘রিটে আদালত কি রায় দেবেন জানিনা, তবে শিক্ষার বিরুদ্ধে যদি রায় দেন, এটা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের ছেলে-মেয়েদের কল্যাণের জন্য এই পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সরকার বৃত্তির প্রসার ঘটিয়ে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করছে। কোন দিন দেখা যাবে সরকার কেন বৃত্তি দিচ্ছে এ ব্যাপারেও একটি রিট দায়ের হয়েছে। কারণ এক শ্রেণীর লোক রয়েছে যাদের কাজই হচ্ছে কথায় কথায় রিট করা।’