আজ-  ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৫ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» মৌলভীবাজারে দারুর রাশাদ ট্রাস্ট ইউকে’র উদ্যোগে মাদ্রাসা ও আলেম-ওলামাদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» দক্ষিণ সুরমার সিলাম পদ্মলোচন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ইন্তেকাল «» মৌলভীবাজারে সচেতন নাগরিক সমাজের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত «» বগুড়ায় পুলিশ লাইন্সে এএসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার «» উলুআইল বাজার সংলগ্ন মাঠে আজ প্রথমবারের মতো কুরবানীর পশুর হাটের উদ্বোধন «» প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে আদিবাসী তরুণদের নেতৃত্বে ইউনেস্কো–ক্রিহ্যাপের উদ্যোগ «» জাতির উন্নয়ন করতে চাইলে শিক্ষার কোনো «» রামিসার রক্তে লেখা প্রশ্ন?  (১) «» আজ বৃহস্পতিবার বনানী ক্লাবে উদ্বোধন হবে মিউজিক্যাল ডকুমেন্টারি ‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ «» বগুড়া ‎শেরপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু

উত্তরের প্রকৃতি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা

 (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ায় সহ উত্তর অঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরেই শিশির পড়তে দেখা যাচ্ছে। গাছের সবুজ পাতায় শিশির বিন্দু জমা হওয়ায় এটিকে শীতের আগমনী বার্তা হিসেবে গণ্য করছেন এলাকাবাসী।

কয়েকদিন আগেও এ বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলায় সারা দিনরাত ধরেই টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছিল। বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর গত ৪ দিন ধরেই উপজেলায় শীতের আমেজ বিরাজ করছে। এখন প্রতিদিন সকালে উপজেলার চারদিকে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকে। উপজেলার ধানগাছ,বভিন্ন প্রজাতির ঘাস এবং সবুজ গাছের উপর বিন্দুবিন্দু শিশির জমা হচ্ছে। কখনো শেষ রাতের দিকে বড়বড় গাছ থেকে ও টিনের চালায় টপটপ শব্দ করে শিশির পড়ছে। আগের রাতের দিকে হালকা ফ্যান দিয়ে ঘুমিয়ে পরলেও শেষ রাতের দিকে ঠান্ডায় গরম কাপড় বা কম্বল গায়ে জড়াতে হচ্ছে। এদিকে সন্ধ্যার পর রাস্তায় মোটরসাইকেল চালানোর সময় শরীরে শীত অনুভূত হয়। অপরদিকে মাঠে মাঠে কৃষকরা শীতের শাকসবজি চাষ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সবকিছু মিলিয়ে বলা চলে  শুরু হয়েছে শীতের আগমনী বার্তা। সকালে চারদিকে কুয়াশার কারণে উপজেলায় এক অন্য রকম প্রাকৃতিক পরিবেশ বিরাজ করছে। কুয়াশামাখা মনোরম পরিবেশ উপভোগ করে উচ্ছ্বসিত হচ্ছেন ফজরের নামাজ পরা মুসল্লিরা এবং সকালে হাঁটতে বের হওয়া মানুষ ও কাজে যাওয়া শ্রমিকরা। বগুড়ার সোনাতলা এলাকার আবুল হোসেন জানান  রাতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় শরীরে হালকা শীত অনুভূত হয়। সদর ইউনিয়নের পারতিত পরল গ্রামের আশরাফুল ইসলাম জানান।  আগের রাতে হালকা ফ্যান চালু করে ঘুমালেও শেষরাতের দিকে ঠান্ডায় কাথা  নয়তো পাতলা কম্বল গায়ে দিতে হচ্ছে। ফজরের নামাজের পর চারদিকে বেশ কুয়াশা দেখা যাচ্ছে।