আজ-  ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» তালামীযে ইসলামিয়া ইছামতি ডিগ্রি কলেজ শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন «» তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরের আওতাধীন ডেমরা থানা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন। «» হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৬ষ্ট ধাপে টেংরাবাজার বাইতুননূর মাসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন। «» ফ্রান্সে দারুল ক্বিরাত মজিদিয়া ফুলতলি ট্রাস্ট সাখসেল-সেন্ডেনিস শাখার সামারকালিন কোর্স অনুষ্ঠিত  «» কমলগঞ্জে হামলা মামলার আসামি শহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার, জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ «» রাজনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন «» জেলা প্রশাসকের সাথে সিলেট জেলা উত্তর ছাত্র জমিয়তের মতবিনিময় «» শ্রীমঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেপ্তার «» অদম্য মেধাবী:কমলগঞ্জে দারিদ্রতাকে জয় করে এসএসসিতে জিপিএ-৫;অর্থাভাবে রেশমির চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন কি পূরণ হবে? «» সান্তাহারে মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্লাবনভূমি উপ-কেন্দ্রে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৬ষ্ট ধাপে টেংরাবাজার বাইতুননূর মাসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজ বাংলাদেশ গঠন এবং সদকায়ে জারিয়ার মহৎ উদ্দেশ্যে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৬ষ্ট ধাপের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

কর্মসূচির আওতায় রাজনগর উপজেলার টেংরাবাজার বাইতুননূর জামে মসজিদ সংলগ্ন বিশাল কবরস্থানে বাদ ফজর বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও ছায়াদার গাছের চারা রোপণ করা হয়।

উল্লেখ্য, হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি উস্তাদুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোশাররফ আলী ছাহেব (রহ.) তাঁর জীবদ্দশায় মানুষের কল্যাণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, রাস্তার পাশে, ছড়ার তীরে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে ফলদ ও ছায়াদার বৃক্ষ রোপণ করতেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল—এসব গাছ থেকে মানুষ ও জীবজন্তু উপকৃত হবে এবং দীর্ঘদিন পর্যন্ত এর সুফল অব্যাহত থাকবে।

বর্তমানে মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তাঁর সেই মহৎ সদকায়ে জারিয়ার কাজটি অব্যাহত রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও এই কল্যাণময় কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চালু থাকবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সমাজসেবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষার একটি কার্যকর মাধ্যম নয়; মানুষের উপকারের নিয়তে একটি গাছ রোপণ করাও অত্যন্ত মহৎ আমল। একটি গাছ যতদিন মানুষের, পাখি-পশু কিংবা অন্য কোনো সৃষ্টির উপকারে আসবে, ততদিন এর মাধ্যমে সওয়াব পাওয়ার আশা করা যায়। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করা এবং রোপণ করা গাছগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করা।

ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায়—বিশেষ করে মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তার পাশে এবং জনসাধারণের উপকার হয় এমন স্থানে—বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ পরিচর্যার এই মহৎ উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

আসুন, একটি গাছ লাগাই—পরিবেশ বাঁচাই, মানুষের উপকার করি এবং সদকায়ে জারিয়ার অংশীদার হই।