আজ-  ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৪ঠা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» শ্রীমঙ্গলে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান, একজনের ৩ মাসের কারাদণ্ড «» মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিষপানে নারী চা শ্রমিকের মৃত্যু  «» দৃশ্যমান দুর্যোগের বাইরে জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর সংকট «» কমলগঞ্জে শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে ‘গুড নেইবারস বাংলাদেশ’ সিডিপির নেটওয়ার্ক ক্যাম্পেইন «» মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তিতে ‘বৃক্ষকন্যা’ সাদিয়া আক্তারকে সম্মাননা «» মৃত মুরগি বিক্রির’ অভিযোগকে মিথ্যা দাবি, অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান «» জাতীয় মৎস্য পদক পেলেন-এমপি আব্দুল মহিত তালুকদার «» সান্তাহারে অব্যবস্থাপনায় আবাসিক হোটেলের জরিমানা «» তালামীযে ইসলামিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন। «» সা‌বেক স‌চিব জামাল উদ্দিন আহমেদ এর লন্ডন সফ‌রে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে’র সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা

জুড়ীতে সংবাদ সম্মিলন

 জুড়ী প্রতিনিধি
মৌলভীবাজার জুড়ী উপজেলার ফুলতলায় সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতা ফয়াজ আলীর অভিযোগে বলেন দলের উপজেলা ও জেলা নেতৃবৃন্দ তৃণমূলকে মূল্যায়ন করেন না।
ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়ে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দলের গঠণতন্ত্র লঙন করে তৃণমূলকে মূল্যায়ন করেন নি এবং নিজেদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফয়াজ আলী। তিনি মঙ্গলবার দুপুর ১টায় ফুলতলাস্থ নিজ বাড়ীতে এক সংবাদ সম্মেলন বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, প্রার্থী বাচাইয়ের বিষয়ে গত ১৭নভেম্বর সন্ধ্যায় জুড়ী ডাক বাংলোতে সংসদ সদস্য হুইপ মোঃ শাহাব উদ্দিন এবং জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এক সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় দলীয় সম্ভাব্য ৫ প্রার্থীর মধ্যে ৩জন প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন। সর্বশেষ দুই প্রার্থী আমি ও মাসুক আহমদ। আমি দলীয় প্রার্থী বাচাইয়ে তৃণমূলের কাউন্সিলের দাবি জানালে নেতৃবৃন্দ আমার প্রস্তাবে গুরুত্ব না দিয়ে দু’জনের নাম কেন্দ্রে পাঠানোর কথা বলে সভা শেষ করেন। পরে বিশ্বস্থ সূত্রে জানতে পারলাম নেতৃবৃন্দ তাঁদের কথা না রেখে আমার নাম বাদ দিয়ে কেন্দ্রে একক ভাবে মাসুক আহমদের নাম প্রেরণ করেন। তৃণমূলের নেতাকর্মী এই বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি বিধায় তাঁদের চাপে আমি স্বতন্ত্র ভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি বলেন, ‘আমি ২০০৩ সাল থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক, ২০০৭ সাল থেকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এবং চলতি বছরের মে মাসে অনুষ্টিত কাউন্সিলে তৃণমূলের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। সেই সাথে জনগণের ভোটে ৫বার নির্বাচিত হয়ে ইউপি সদস্য ও ২০০৯ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলাম। সর্বশেষ ২০১১ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তৃণমূলে দলকে সংগঠিত করতে আমি নিরলস কাজ করেছি। এমনকি চেয়ারম্যান হিসেবে ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছি। সেই সুবাধে তৃণমূলের নেতাকর্মীসহ ইউনিয়নের সাধারণ ভোটার আমার সাথে আছেন। দলের উপজেলা ও জেলা নেতৃবৃন্দ আমাকে অন্ধকারে রেখে দাবা খেলেছিলেন, ইনশা আল্লাহ মানুষ আমাকে নির্বাচিত করে পাশা খেলে দলের ভূল সিদ্ধান্তের জবাব দিবে’। সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের বহু নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।