কুলাউড়া প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় কবিরাজির মাধ্যমে চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার করার নাম করে এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে কবিরাজ মানিক মিয়া (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭এপ্রিল) ভোরে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মহিষমারা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
মানিক ওই ইউনিয়নের পূর্ব ফটিগুলী গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় সিএনজি চালক। এলাকায় নিজেকে কবিরাজ দাবী করে দীর্ঘদিন থেকে মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল ) আবু ইউছুফ জানান,
রোববার (১৫ এপ্রিল) মহিষমারা গ্রামের একটি পরিবারের মোবাইল চুরি হয়। তারা প্রতিবেশীর মাধ্যমে জানতে পারেন মানিক মিয়া নামের একজন কবিরাজ আছেন যিনি তার কবিরাজি বিদ্যার মাধ্যমে মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে পারেন। পরে কবিরাজ দাবি করা মানিক মিয়ার সাথে তারা যোগাযোগ করেন। সোমবার (১৬ এপ্রিল) রাত প্রায় এগারোটার দিকে মানিক তাদের বাড়িতে যায়। সেদিন রাতেই মানিক প্রথমে কয়েকটি তাবিজ লিখে পৃথক পৃথক ভাবে পরিবারের সকলকে পোড়াতে বলেন। ভিকটিমকে হাড়ির মধ্যে কচু পাতায় মোড়ানো তাবিজ নিয়ে তিন রাস্তার মোরে ফেলে আসতে বলেন। কিন্তু রাত ৩টার দিকে ভিকটিমের ছোটবোন ছাড়া কাউকেই তার সাথে যেতে দেয়নি মানিক। তিন রাস্তার মোড়ে আসলে ছোট বোনকে রেখে ভিকটিমকে আড়ালে আসতে বলে মানিক। না আসলে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখায়। পরে ভিকটিমকে ঝোপঝাড়ে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি টের পেয়ে ভিকটিমের ছোট বোন বাসায় খবর দেয়। এর পর তার ভাই পুলিশের ৯৯৯ সার্ভিস নাম্বারে কল দিয়ে কুলাউড়া থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে। এই ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার থানায় মামলা দায়ের করেছে । মানিককে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে ওসি শামীম মুসা নিশ্চিত করেন।






