আজ-  ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩০শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» জনগণের অধিকার রক্ষায় যুবসমাজকে সোচ্চার হতে হবে «» বগুড়ায় সার কারখানায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট সাড়ে ৪ লাখ টাকার মালামাল «» ভিন্ন প্রেক্ষাপট, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা: শ্রীমঙ্গলে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত «» শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের যাত্রাবিরতি পুনর্বহালের দাবি «» কমলগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ‘সেলফ কর্ণার সার্ভিস’ উদ্বোধনের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেনের যাত্রা শুরু «» কমলগঞ্জে ওলিয়ে কামিল হযরত শাহ আজম রহ এর ৪৬ তম উরুসে আউলিয়া ও ঈসালে সাওয়াব মাহফিল ১৩ আগষ্ট বৃহস্পতিবার। «» আখেরী চাহার সোম্বা উপলক্ষে কমলগঞ্জে «» বগুড়া আদমদীঘিতে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার-৩ «» কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে সান্তাহারে দৈনিক করতোয়ার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপণ «» তালামীযে ইসলামিয়া বাহুবল উপজেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন।

চা শ্রমিকদের মজুরি ৫০০ টাকা ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দাবিতে কমলগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ।। 

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ঃ 

সংসদে উত্থাপিত চা শ্রমিকদের দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর, কুরমা চা বাগানের বকেয়া মজুরিসহ শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধ এবং শ্রম অধিদপ্তরের অবৈধ হস্তক্ষেপ ছাড়া বাংলাদেশ  চা শ্রমিক ইউনিয়নের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে চা শ্রমিকরা।

বুধবার সকালে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা চা বাগানে সাধারণ চা শ্রমিক ও ছাত্র যুবকবৃন্দের ব্যানারে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও তা পরবর্তীতে প্রত্যাহার করা হয়, যা চা শ্রমিকদের মধ্যে গভীর হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তাই অবিলম্বে দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর করার দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান মজুরিতে শ্রমিকদের পরিবার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে অনেক শ্রমিক ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন। এর পাশাপাশি কুরমা চা বাগানের শ্রমিকদের টানা চার সপ্তাহের মজুরি বন্ধ থাকায় শত শত শ্রমিক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা অবিলম্বে চার সপ্তাহের বকেয়া মজুরি ও শ্রমিকদের সকল আইনসিদ্ধ পাওনা পরিশোধের দাবি জানান।

সমাবেশ থেকে দাবি জানানো হয়, শ্রম অধিদপ্তরের কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ ছাড়া বাংলাদেশ  চা শ্রমিক ইউনিয়নের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে, যাতে শ্রমিকরা স্বাধীনভাবে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক নারী নেত্রী গীতা রানী কানু, ইউপি সদস্য নরুল হক এবং শমশেরনগর চা বাগানের শ্রমিক নেত্রী লছমি রানী রাজভর,সুজিত পাশা প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, চা শিল্প দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। অথচ এই শিল্পের মূল চালিকাশক্তি চা শ্রমিকরা এখনও ন্যায্য মজুরি ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তারা অবিলম্বে সংসদে উত্থাপিত দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর, চার সপ্তাহের বকেয়া মজুরি ও সকল পাওনা পরিশোধ এবং শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।