আজ-  ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» যেখানে অন্যায় অত্যাচার,সেখানেই প্রতিবাদ -সাইফুর রহমান সাইফ «» কমলগঞ্জে দুবৃর্ত্তের আগুনে পুড়ে ছাই কৃষকের স্বপ্ন৫ লক্ষাধিক টাকার কৃষি উপকরণ নষ্ট «» মাদীনা ওভারসীজের হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  «» প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান «» শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু, গুরুতর আহত আরেক ছেলে «» কমলগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলা সমাপ্ত «» বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ নাজিম উদ্দিনের মৃত্যুতে “সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশনের” শোক প্রকাশ «» দক্ষিণ সুরমায় সিলাম সুরমা সমাজ কল্যাণ সংঘের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন «» মৌলভীবাজারে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কাউন্সিলর প্রার্থী হোসাইন আহমদের শুভেচ্ছা «» বগুড়া আদমদীঘিতে বর্ণিল আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রা

কমলগঞ্জে পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে মাছের মেলা

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার)প্রতিনিধি ঃ

সনাতনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পৌষ সংক্রান্তি উৎসব আজ রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ উৎসবে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে তৈরী হবে নানা ধরনের পিঠা পুলি ও সুস্বাদু খাবার। তার একটি বড় অংশ হচ্ছে বাজার থেকে বড় আকারের মাছ কিনে খাবার তৈরী করা। তাই পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ,ভানুগাছ বাজার,আদমপুর বাজার ও মুন্সীবাজারে বসেছে বিরাট মাছের মেলা। শনিবার (১৩ জাুনয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিভিন্ন জাতের বড় আকারের মাছ সাজিয়ে বসেন মাছ বিক্রেতারা। পৌষ পার্বন উপলক্ষে বড় আকর্ষণ থাকে বাজার থেকে পছন্দ মত বড় আকারের মাছ কিনে খাবার তৈরী করা। দুপুরে কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ বাজার ,পতনঊষার ও শমশেরনগর বাজারে মাছের মেলা ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি মাছের দোকানে সামান্য ছোট আকারের মাছ সাজিয়ে রাখা হলেও সংগ্রহে রাখা হয়েছে নানা জাতের বড় আকারের মাছ। চিতল, রুই, কাতল, মৃগেল, পাঙ্গাস, আইড়, ব্রিগেট, বাঘ মাছ, রুপ চাঁদা, ঘাস কার্পসহ নানা জাতের সামুদ্রিক মাছ। কিছু কিছু দুর্লব মাছ যে গুরো সহজে হাট বাজারে পাওয়া যায় না এমন মাছও সাজিয়ে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। বিক্রেতারাও বেশ চড়া দাম হাকালেও শেষ পর্যন্ত সহনীয় পর্যায়ের দামে মাছ বিক্রি করতে হচ্ছে। ১৫ কেজি ওজনের একটি বাঘ মাছের দাম নির্ধারণ করেন বিক্রেতা ২০ হাজার টাকা। ১০ কেজি ওজনের একটি বোয়াল মাছের দাম ছিল ১৫ হাজার টাকা। ১০ কেজি ওজনের একইট রুই মাছের দাম ছিল ১২ হাজার টাকা। ক্রেতা সঞ্জয় দাম গুপ্ত, সুজিত দেব নাথ ও সমরজিৎ বর্মা জানান, এ উৎসবে বাজারে নানা জাতের বড় আকারের মাছ উঠে। এটি দেখারও একটি বিষয় থাকে। দাম বেশী হলেও পরে দরাদরি করে কিনে নিতে হয়। মাছ বিক্রতা মানিক মিয়া, মারুফুর রহমান মুকুল,আমির হোসেন বলেন, দাম বড় কথা নয়। মূলত ক্রেতাদের আকর্ষিত করে এমন বড় আকারের মাছ সরবরাহ করা হয় মাছ মেলায়। যদিও বেশ চড়া দাম বলা হলেও ক্রেতারা দরাদরি করে পড়ে সহনীয় পর্যায়ে হলে কিনে নিচ্ছেন। আর পরিবহন ব্যয় ধরে সামান্য লাভ হাতে রেখেই অবশেষে দাম কমিয়ে মাছ বিক্রি করছেন তারা। মাছের আড়ৎদার আব্দুল মিয়া বলেন,আগের চেয়ে এখন দেশীয় মাছের সরবরাহ অনেক কমে গেছে। সাধারনত বাজারে এত বড় আকারের মাছ উঠে না। পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাওর, বাওর, বিল ও বড় নদী থেকে ধরে আনা বড় আকারের মাছ এ বিশেষ দিনের জন্য সরবরাহ করতে হয়। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবারও তারা বাজারের নানা জাতের বড় আকারের মাছ সরবরাহ করেছেন। মাছ মেলায় গভীর রাত পর্যন্ত এ বিক্রয় চলবে বলে আড়ৎদার জানান।