সংবাদ বিজ্ঞপ্ত
:
আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন তরুণ প্রগতিশীল রাজনীতিবীদ ‘জাতীয় বিপ্লবী পাটি’র আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ। সদ্য প্রকাশিত ‘জাতীয় বিপ্লবী পার্টি’র দলীয় সিদ্ধান্তে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোয়ন পত্র উত্তলোণ করেছেন তিনি। এরই মধ্যে ঢাকা উত্তরে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগে নেমেছেন কালাম। অনলাইনেও প্রচারণায় নেমেছেন তার দলের কর্মী-সমর্থকরা।
সোমবার (১৫জানুয়ারি) দুপুরে আবুল কালাম আজাদ নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোয়ন উত্তোলণ করেন। এসময় তার দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ছাত্র রাজনীতি শেষে ‘জাতীয় বিপ্লবী পার্টি’ নামে এই দল গঠন করেন। দল গঠনের পর বেশ কিছু জনদাবি নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তার প্রেক্ষিতে মেয়র আনিসুল হকে অপূরণীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঢাকা উত্তরের দায়িত্ব নিতে চান তিনি।
তিনি বলেন, আসন্ন উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচনে মেয়র পদে আমার দল ‘জাতীয় বিপ্লবী পার্টি’ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এমন নিয়েছে। একঝাঁক তরুণের সমন্বয়ে গঠিত এই দল বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি একমাত্র নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতার পালাবদল এবং জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটা সম্ভব। তাই আমার দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি আসন্ন সিটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।
তিনি আরো বলেন, শ্রদ্ধেয় মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুর পর ঢাকাবাসী তরুণ নেতৃত্ব চাইবে বলে আমি মনে করি। কারণ আনিসুল হকের বয়স থাকলেও তিনি তারুণ্যের শক্তি নিয়ে কাজ করেছে। সেই তারুণ্যের শক্তি নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করতে পারলে সত্যিকারের উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করবে ঢাকাবাসী। আমি আমার সেই তারুণ্যকে ঢাকা উত্তরবাসীর কল্যাণে কাজে লাগাতে চাই।বাংলাদেশ ‘জাতীয় বিপ্লবী পার্টি’র আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ ১৯৯৮ সালে বরিশাল থেকে ছাত্র রাজনীতির শুরু করেন। তার পর দীর্ঘ নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে তিনি ‘বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টি’র ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী’র কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর পর নিজস্ব চিন্তা-চেতনায় একঝাঁক সাবেক ছাত্র নেতাদের নিয়ে গঠন করেন নতুন দল ‘জাতীয় বিপ্লবী পার্টি’। এরই মধ্যে তার দলের সহযোগী শ্রমিক সংগঠন ও ছাত্র সংগঠন ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় কাজ করছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আবুল কালাম আজাদ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করে রাজনীতিতে এগিয়ে যান। এর পর এদেশে জাতীয় রাজনীতিতে একজন কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা হিসেবে সকল প্রগতিশীল আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন। যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের আন্দোলন ক্ষেত্র শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তিনি। এছাড়া বেসরকারী বিশ্ববিদ্যলেয়ের ছাত্রদের উপর সরকারের ভ্যাট আরোপের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তিনি। যুবকদের বেকারত্ব দূরীকরণে তিনি নানা দাবি নিয়ে আন্দোলন করেন। দেশের চলমান নানা সংকটে তিনি রাজপথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ নিয়ে। সর্বপরো শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে নানা আন্দোলন সংগ্রামে তিনি রাজপথে লড়েছেন। সেই ধারাবহিকতায় বর্তমানে নিজ গঠিত রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় বিপ্লবী পার্টি’র ব্যানারে শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট রয়েছেন তিনি।






