আজ-  ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩রা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» আজ বৃহস্পতিবার বনানী ক্লাবে উদ্বোধন হবে মিউজিক্যাল ডকুমেন্টারি ‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ «» বগুড়া ‎শেরপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু «» বাংলাদেশ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব নিয়ে বার্মিংহামে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত «» জুড়ীতে ঝুঁকিপূর্ণ বসতঘরে দিনযাপন-সরকারি সহায়তা চান রামকৃষ্ণ তেলি পরিবার «» নওগাঁয় দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ «» National Human Rights Commission Act 2026 (Draft) «» বগুড়া সান্তাহারে একাডেমিক ভবনের ফলক উদ্বোধন  «» বগুড়া সান্তাহার কলসা স্কুলে সংবর্ধনা ও   অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত  «» শ্রীমঙ্গলে সিএনজি-মাইক্রো শ্রমিক সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত «» নওগাঁয় শিক্ষকের মৃত্যুর খবর শুনে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

মৌলভীবাজারের সাবেক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঘুষের টাকাসহ দুদকের হাতে ধরা পড়েছেন রংপুরে

মৌলভীবাজারের সাবেক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে দুদকের হাতে ধরা পড়েছেন রংপুরে । তিনি মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা থাকাকালে নিজেকে জমিদার এবং সাধারণ নাগরিকদেরকে তার প্রজা হিসাবে গণ্য করতেন । সাধারণ নাগরিকদের সাথে তার আচরণ ছিল ঔদ্ধত্যপূর্ণ । বিশেষকরে মিথ্যা বলার জন্য তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার পাবার সুযোগ্য । মিথ্যে বলে এবং ঘুষের জন্য হয়রানী করেছেন অনেক শিক্ষককে । তাই, সদা আতংকিত ছিলেন শিক্ষকরা । সেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে দুদকের হাতে ধরা পড়ার খবর জেনে মিষ্টি খেয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন শিক্ষকরা । শিক্ষকদের এ আনন্দ প্রকাশ যে সেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের প্রতি ক্ষোভেরই বহি:প্রকাশ তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা ।
কিন্তু, কথা হচ্ছে- সেই সিরাজুল ইসলাম মৌলভীবাজার থেকে বদলী হবার পর থেকে যারাই এসেছেন ও বদলী হয়েছেন এবং বর্তমানে যারা আছেন তারা সবাই-ই একেকজন সিরাজুল ইসলাম বললে কমই বলা হবে । প্রকৃতপক্ষে, মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে কর্মরত প্রত্যেক কর্মকর্তাই সেই সিরাজুল ইসলামের মতো একেকজন সিরাজুল ইসলাম । ঘুষের জন্য সিরাজুল ইসলামের সমপর্যায়ের হলেও, ঔদ্ধত্যের জন্য সিরাজুল ইসলামের চেয়ে একধাপ এগিয়ে আছেন মৌলভীবাজারের সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিশোর চক্রবর্ত্তী । একইভাবে, ঘুষের জন্য সিরাজুল ইসলামের সমপর্যায়ের হলেও, মিথ্যা বলার জন্য সিরাজুল ইসলামের চেয়ে একধাপ এগিয়ে আছেন মারুফ আহমদ চৌধুরী । এছাড়া, প্রত্যেক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবস্থাও তথৈবচ । এককথায়- মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে কর্মরত প্রত্যেক কর্মকর্তার প্রতিটি পশমে পশমে দূর্ণীতি, দূর্ণীতি আর দূর্ণীতি । মৌলভীবাজার জেলার শিক্ষকরা চাকরী হারানোর ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাননা । কারণ, এদের দূর্ণীতির প্রতিবাদ করলে চাকরী হারাতে হবে । এর প্রমানও আছে । কাজেই এরা ধরা পড়বে কিভাবে ? কবে ?