দুরুদ আহমেদঃ যুগের পরিবর্তনে ধর্ম কর্ম, সমাজ, মানবতা পাল্টে গেলো না কি। কিছু মুসলমান সৌদিআরব এর সাথে ঈদ করছেন, আরো কিছু মানুষ ২০ রাকাত নামাযকে ৮ রাকাত পড়ে মসজিদ থেকে বাহির হয়ে আসেন। আরো কিছু মানুষ নামাজ রোজা ধর্ম সমাজ, ব্যবসা বাণিজ্য আইন কানুন নিজের ইচ্ছায় চালিয়ে যাচ্ছেন, কেনও পৃথিবী কি শেষ পর্যায়। এই টুকু জীবনে কি দেখেছিলাম আর এখন কি দেখছি ও শোনছি, যা ৫০-৬০ বছর আগের মানুষের কল্পনায়ও ছিলনা। আজ পৃথিবীতে মানুষ যে সব ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। মা বাচ্চাদেরকে খুন করছে, মেয়ে মা-বাবাকে খুন করছে। একজন মানুষ ২-৪ টা খুন করতে কোন ভয়ভীতি মনে রাখেনা, ২-৪ টা মাছ শিখারের মত খুন করে। মানুষ মানুষকে কুড়াল দিয়ে কুবিয়ে হাত পা, গলা কেটে মস্তকটা হাতে নিয়ে পৃথিবীর মানুষকে দেখিয়ে দেয়। এ কেমন মানুষ কোথায় বিশ্ব জাতিসংঘ আইন, রক্ষক বর্তমানে কি বক্ষ। পেপার পত্রিকা টিভি খুললে পৃথিবীতে শুধু মুসলমান মানুষই মহামারী। প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বিমান দুর্ঘটনা, লঞ্চন,নৌকা ডুবি আকাশ থেকে ভাজপরে মরছেন। মনে হয় কিছু মানুষ যার যার ধর্ম আইন কানুন মেনে চলছিনা। উপলব্ধি করছি অন্য সমাজকে। ব্রীড়ানত করছি নিজের সমাজও ধর্মকে, তাই হয়তবা মোহান আল্লাহ মন খোশ নয় আমাদের উপর। আমরা মানুষরাই পৃথিবীর ধর্ম কর্ম আইন সমাজ পাল্টেছে। আগের মানুষ আইন কানুন সমাজ, ধর্ম কর্ম ভাল মন্দ বুঝে শোনে চলেছিল হালাল বেহালাল মেনে। একটা কথা এখনও মনে জাগে লন্ডন বসবাসরত চাকুরিজীবীর ঘরে। মসজিদের ইমামগণ দাওয়াতের খাবার খাইতেনা। কারণছিল ইহুদি ক্রিস্টান দেশের রোজগার করা টাকা তাই। কারণ ওরা পুরুষ মহিলারা ছোট ছোট কাপড় শরিরে রাখে, বেশিরভাগ শরির উদাম বা খুলা থাকে, তাই বলা হতো নেংটা দেশ। মুসলমান ধর্মে যা খাওয়া ও ব্যবসা করা বেহালাল, মদ সোয়ারের মাংস। হয়তোবা তাহাদের সমাজে কোন সমস্যা নয়। আর মুসলমান ধর্মে এগোল খাওয়া বা ব্যবসা করা পাপ হয়। এখন মসজিদের ইমামরাই লন্ডন ও আমেরিকা বসবাসরতদের জন্য মসজিদে বসে দোয়া করেন এবং বড় বড় মোওলানাগণ লন্ডন আমেরিকা গিয়ে সিটিজেনশিপ নিয়ে ঘর বাড়ি বানাচ্ছেন। ১৯৮০ সাল থেকে শুরু হলো সহপরিবারে লন্ডন যাওয়া শালাকে ছেলে পরিচয় করিয়ে বিভিন্ন কায়দায়। জায়গাজমি, ঘরবাড়ি বিক্রয় করে মসজিদ মাজারে মানত, আর বড় তশবীহি আয়োজন করতেন,শত শত ইমাম হোঝুর দিয়ে দোয়া দরুদ ইত্যাদি করতেন,লন্ডন আমেরিকা যাওয়া জন্য। বিশ্বাস হাড়িয়ে ফেলে মানুষ নিজের দেশের উপর থেকে কারণ বিদেশ গেলেই টাকা আর সুখ শান্তি। নিজের দেশের ধর্ম কর্ম সামাজর সমর্পক চিহ্ন বিচিহ্ন করে ১৮ বছরের ছেলে ৮০ বছরের বুড়ি নাতি পুতি আছে বুড়ি লুলা অন্ধ হলেও চলে শুধু লন্ডন পৌছিয়ে সিটিজেনসিপ মানে নাগরিকতা ফেলেই টাকা রুজি করে শর্গে বাস করবেন। আপনি কি কখনও নিজের বিবেককে প্রশ্ন করেছেন ব্রিটিশ কোন স্বার্থে নাগরিকতা দিয়েছে।শর্গে আছেন কি, আজ আপনাকেই প্রশ্ন করছি! লন্ডল বাংলাদেশ পরিবারের মধ্যে বিয়ে সাদি জায়গা জমি নিয়ে কত কি হয়ে গেলো এখনও হচ্ছে। জন্মভূমি চেরে গেলেন আগেতো আপনাদের মৃত্যুর পর লাশ জন্মভূমিতে এসেছে এখনতো আপনাদের লাশ ও আসেনা আপনার প্রজম্মরা ঐখানেই দাফন কাফন শেষ করে ফেলে। যা লিখছিলাম আপনাদের ও দেশের ধনিলোকের টাকায় বাংলাদেশে ২০ হইতে ৪০ কোটি টাকা ব্যয় করে মসজিদ বানানো হয়েছে প্রায় মসজিদে শিত তাপ নিয়ন্ত্রিত আছে কিন্তু নামাযকে ছোট করে দিয়েছে প্রায় কয়েক বছর যাবৎ কিছু লোক ২০ রাকাত নামাযকে ৮ রাকাত পড়ে মসজিদ থেকে বাহির হয়ে যান। এবং কিছু লোক তাদের ইচ্ছা মতই নামায পড়েন। প্রায় মসজিদেরই আম গাছ কাঠাল, সুপারি ও পুকুরের মাছসহ অনেক বড় বড় মার্কেট আছে তার আয় ব্যয় নিয়ে অনেক মামলাও আছে,এই সব সমস্যা সৃষ্টকারী মারামারি করে বছরে ২/৪ জন খুন হয়েও যান। পূর্বেকার মসজিদ বাঁশের বেড়া টিনের চাউনি মাটির উপর পাটি বা মাটিতেই লোকজন ২০ রাকাতের অতিরিক্তও নামায পড়েছেন এবং চেহেরি খাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মসজিদে বসে আল্লাহ এবাদত করিতেন, এবং কাবাঘরের মত সম্মান করতেন মসজিদকে। এবং মসজিদ তৈরি করতেন সব মুসলমানগন মিলেমিশে। মসজিদ বানাবার অর্থ সংগ্রহ করতেন, অগ্রহায়ণ ও ভাদ্রমাসীয় ধান দিয়ে প্রতি পরিবার থেকে এক বা দুই মন করে ধান উঠাইয়ে বাজারে বিক্রয় করে এবং ইমামের বেতন দেওয়া হতো, প্রতি পরিবারের তিন বেলা খাবার ভাতের চাউল থেকে এক মোটি করে চাউল উঠাইয়া রাখতেন এবং এই চাউল প্রতি সাপ্তাহে নিয়ে যেতো মসজিদের নিয়োগ করা একজন লোক। মাসের শেষে বিক্রয়ী করে ইমামের বেতন দেওয়া হতো মসজিদকে আল্লাহ ঘর মনে রেখে সম্মান করেছেন।বর্তমানে মসজিদ মাদ্রাসার কাজের বেশির ভাগই লন্ডন আমেরিকার টাকা এবং প্রায় মসজিদের জায়গা জমি, মার্কেট আছে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা বাণিজ্য মারামারি মাঝে মাঝে খুন হচ্ছে। দুজন মানুষে একটু মনমালিন্য হলেই একটা মসজিদ তৈরি করেন। এমনও এলাকা আছে এক কিঃ গ্রাম অঞ্চলে ৯ টা সমজিদ তৈরি হয়েছে, নামাযির সংখ্যাও কম। আবার কোন এলাকায় ছয় কিঃ মধ্যে একটা মসজিদ। কিছু দিন পূর্বে আমি নিজে ঘোড়ে দেখেছি এমন কি বর্তমানে মসজিদ মাদ্রার সভাপতি মহিলারাও আছেন। আর নামাযের দরণ ২০ রাকাত তারাবীহ নামায কিছু লোক ৮ রাকাত পড়ে মসজিদ থেকে বাহির হয়ে যান এবং প্রায় মসজিদেই চেয়ার আছে, চেয়ারে বসে নামায পড়েন কারণ শরিরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা, উঠতে বসতে পারছেন। সমজিদের ভিতর মাঝে মাঝে চেয়ার নিয়েও ঝগড়াও হয়। এবং প্রায় মুসল্লিগণ আলোচনা সমালোচনা করেন যারা চেয়ার বসে নামায পরেন তারা নাকি ঠিকমতো, চলাফেরা হাট বাজার অফিস সবই করতে পারেন কিন্তু মসজিদে নামায পড়েন চেয়ারে বসে। আর নামাযের পরিবেশ কেহ মানেন না, কারণ কেহ নিয়ত করেন বুকে হাত দিয়ে আবার কেহ ইমামের আগেই শজিদায় চলে যান, এবং সালামও ইমামে আগে ফিরিয়ে নেন। বর্তমানে মুসলমানদের উপর এত গজব কেন,এই টুকু জীবনে কি দেখেছিলাম আর এখন কি দেখছি ও শোনছি, যা ৫০-৬০ বছর আগের মানুষের কল্পনায়ও ছিলনা।
যুগের পরিবর্তনে ধর্ম কর্ম, সমাজ, মানবতা পাল্টে গেলো না কি
Catagory : জাতীয়, মৌলভীবাজার | তারিখ : মে, ২৭, ২০১৮, ৭:৫২ অপরাহ্ণ • ১৯ বার পঠিত






