


এদের কারও মা নেই কারও বাবা নেই আর থাকলেও বাবা- মা ভিক্ষা করে আর অরাও সকাল ৯ টায় অথবা ১০ টায় ঘুম থেকে উঠিয়ে মৌলভীবাজার চৌমোহনায় স্বাদ ও পাঁনসী রেস্টুরেন্ট এর সামনে এসে পথিক, সহ কার সিএনজির, মালিক বা যাত্রীদের সাথে বিভিন্ন ধরণে অঙ্গবঙ্গতে কথা বলে ভিক্ষা করে এমন কি চলন্ত গাড়ীর পিছনে ও দৌড়াইয়া ভিক্ষা চায়। তাদেরকে প্রশ্নঃ উত্তরে বলে মানুষ যখন ভাল কিছু খায় তখন মুখের দিকে থাকিয়ে থাকে মানুষের ইচ্ছা হলে কোন সময় তাদেরকে দিয়ে দিবে। বড় লোকের মুখের খাবার খাইতে নাকি তাহাদের মজা লাগে, অরা বলছিল পড়া লেখা করতে ইচ্ছা হয়, স্কুলে যাইতে ভীষণ ইচ্ছা আছে। এক পর্যপ্রেক্ষণে দেখা যায়, যারা ইট ভাঙ্গে বা রিশকা চালক তাহাদের ছেলে মেয়ে স্কুল কলেজে পড়া লেখা করছে। কিন্তু ভিক্ষুকের পরিবারে পড়া লেখার ছিন্তা ধারনা এখনও ঢোকেনি, আবার দু একজন স্কুলে যাচ্ছে। আমাদের মৌলভীবাজার অনেক ধনি লোক ও দানশীল ব্যক্তি আছেন অদের জন্য কি কিছু করা সম্ভব। যতটুকু সম্ভব আজ ১২ বছর যাবৎ অদের সাথে আমি আছি। এই ঈদে অদেরকে কিছু নতুন কাপড় দেওয়ার ইচ্ছা ছিল। আপনার প্রতিনিধিসহ আমরা বন্টন করিব। একাউন্ট পথশিশু বাংলার নাট্যলোক মৌলভীবাজার হিসাব নং ৫৮১২৩০১০১০৫৩০ সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, মোবাইল নং ০১৭১৮-০২১১১৮‡


ওদেরও আপনার আমার মতো ঈদ পালনে ইচ্ছা
Catagory : মৌলভীবাজার | তারিখ : মে, ৩১, ২০১৮, ৯:২০ অপরাহ্ণ • ০ বার পঠিত






