আজ-  ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২০শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» মৌলভীবাজারে এনসিপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল : অবস্থান তুলে ধরে দলীয় নেতাদের সংবাদ সম্মেলন «» বগুড়া আদমদীঘিতে ভ্রাম্যমান আদালতে দুই হ্যাচারী মালিকের জরিমানা «» স্পন্দন মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ইউনিট কমিটি অনুমোদন। «» কমলগঞ্জে ব্যাংক থেকে উত্তোলিত টাকা ছিনতাইয়ের রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামি বটলা সেলিম গ্রেপ্তার «» বগুড়া সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ী ১ নারীর লাশ উদ্ধার করেছে «» এখনই পদক্ষেপ নিন: জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছে «» লন্ডনে চতুর্দশ বাংলাদেশ বইমেলায় কবি সৈয়দ কাহেরের কাব্যগ্রন্থ ‘অধরা শেষ না হওয়া’র মোড়ক উন্মোচন, «» কমলগঞ্জে প্রথম শ্রেণীর শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ; অভিযুক্ত আটক «» আনজুমানে আল ইসলাহ কমলগঞ্জ পৌর ৮নং ওয়ার্ডের পবিত্র আশুরা উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও সেমিনার সম্পন্ন।  «» মৌলভীবাজারের নবাগত পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামের সাথে অনলাইন প্রেসক্লাবের মতবিনিময়

শ্রীমঙ্গলের আরেক দর্শনীয় স্থান জান্নাতুল ফেরদৌস

মু রিমন ইসলাম,
শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি::

প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পাহাড়ের বুকে নির্মিত মসজিদুল আউলিয়া খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক (রহ.)।এ উপজেলার নতুন একটি দর্শনীয় স্থান।পাহাড়ের ওপর তুর্কি ডিজাইনে নির্মিত নয়নাভিরাম এ মসজিদটি দেখতে প্রতিদিনই এখানে অসংখ্য পর্যটক ভিড় করছেন।জানা যায়,উপমহাদেশ খ্যাত আধ্যাত্মিক সুফি-সাধক খাজা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরীর (রহ.) উত্তরসূরি ছিলেন খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক (রহ.) আর খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক(রহ)এর সাহেবজাদা খাজা টিপু সুলতান এ মসজিদটি এখানে নির্মাণ করিয়েছেন। ১৯ বিঘা জমির ওপর নির্মিত মসজিদের চারদিকে পাহাড়।
পাহাড়ে সবুজের আবরণ,ভাঁজে ভাঁজে সবুজ চা বাগান।রয়েছে লেবু ও আনারসের বাগানও।শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার দূরে বালিশিরা পাহাড়ের মহাজীরাবাদ এলাকায় এ মসজিদটির অবস্থান। সমতল থেকে ৭০-৮০ ফুট ওপরে পাহাড়ের চুড়ায় স্থাপিত মসজিদটিতে যেতে হয় ১৩৯টি সিঁড়ি পেরিয়ে।সিঁড়িগুলোর দুই পাশে সাদা আর মধ্যে দেওয়া হয়েছে লাল রং।সবুজ প্রকৃতির সঙ্গে সাদা আর লাল রঙের মিশ্রণ।মাওলানা মো. মুসলেহ্ উদ্দিন এ মসজিদের পেশ ইমাম।খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক(রহ.)ফাউন্ডেশনের বৃহত্তর সিলেট বিভাগের সমন্বয়কারী আরমান খান জানান,মসজিদটির ভিতরে একসঙ্গে প্রায় ৮০০ লোক নামাজ পড়তে পারেন।
নানান জাতের ফুল গাছ লাগিয়ে সাজানো পুরো মসজিদ।এলাকার নাম দেওয়া হয়েছে জান্নাতুল ফেরদৌস।রয়েছে দুটি গেস্টহাউস।একটি চিকিৎসা কেন্দ্র।সপ্তাহের ছয় দিন এ চিকিৎসা কেন্দ্রে গরিব মানুষের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।
মসজিদের ভিতরে লাগানো দৃষ্টিনন্দন ঝাড়বাতিটি আনা হয়েছে চীন থেকে। ২৪ নভেম্বর এ মসজিদে বার্ষিক উরসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা খাজা এনায়েতপুরীর(রহ.)প্রাায় ১০ হাজার ভক্তের সমাগম ঘটেছিল।মসজিদটি পরিচালনা করে খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক(রহ.) ফাউন্ডেশন।