আজ-  ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» ক্যাম্পাসে নোংরা ছাত্র রাজনীতির প্রভাবে শিক্ষার অবনতি ঘটেছে : ছাত্র জমিয়তের আলোচনা সভায় গোলাম আম্বিয়া কয়েছ  «» শ্রীমঙ্গলে আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের পরিচিতি সভা «» মনুমুখ স্কুলে প্রধান শিক্ষক, আইনজীবী মৌলভীবাজার অঞ্চলের স্থানীয় শালিসির বিচারক শ্রী শ্রী ফনিন্দ কুমার ভট্টাচার্য, «» গাছ কাটছি মানে আমরা নিজেদেরই হত্যা করছি «» তরুণ ও শিক্ষার্থীদের অতুলনীয় আদর্শ মহানবী সা.: ছাত্র জমিয়ত সিলেট জেলা উত্তর  «» ‎ঈদে মীলাদুন্নবী সা. উপলক্ষ্যে তালামীযে ইসলামিয়ার ‘মুবারক র‌্যালি’ সম্পন্ন : সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।  «» আদমদিঘী উপজেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা কমিটির  মাসিক  সভা অনুষ্ঠিত  «» মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আলাউর রহমান চৌধুরী আর নেই, মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’র «» শমশেরনগরে ঈদে মীলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে প্রচার মিছিল সম্পন্ন «» কমলগঞ্জের কুমড়াকাপনে ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে মোবারক র‌্যালি, প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকা থেকে অপহরণের দু’দিন পর পিএইচডি গবেষক এনামুল হককে উদ্ধার

 করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।‘অপহরণের শিকার’ এনামুল হক বর্তমানে উত্তরার র‌্যাব-১ এর হেফাজতে আছে।শনিবার বিকেল সোয়া তিনটায় এনামুলের বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: আমরা জানতে পেয়েছি র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল এনামুলকে উদ্ধার করেছে, আমরা তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানিয়েছি।

এরপরই এনামুলের বড় ভাই কামরুজ্জামান মাসুদ মুঠোফোনে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান: দুপুররের দিকে দক্ষিণখান থানা থেকে জানানো হয় এনামুলকে র‌্যাব উদ্ধার করেছে। আপনারা র‌্যাব-১ অফিসে যোগাযোগ করুন। আমরা বর্তমানে উত্তরার র‌্যাব-১ কার্যালয়ের কাছাকাছি আছি।

এর আগে বুধবার রাতে আশকোনার একটি বাসা থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে বের হওয়ার পর তার আর কোনো খোঁজ মেলেনি। এনামুলের দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার কথা ছিল।

এনামুলের বাড়ি পাবনায়। তার বাবার নাম ফজলুল হক। এক পুত্র সন্তানের বাবা এনামুল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষ করে বৃত্তি নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কিওংপুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (কেএনইউ) পিএইচডি করছেন।

পরিবার ও স্বজনরা জানান, গত ২২ অক্টোবর এক মাসের ছুটিতে বাংলাদেশে আসেন মনি। গত বুধবার রাত ১টার দিকে তার কোরিয়া যাওয়ার কথা। বুধবার সকালে শ্বশুরবাড়ি টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় এসে আশকোনায় এক বন্ধুর বাসায় ওঠেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বন্ধুর বাসা থেকে বেড়িয়ে রিক্সাযোগে বিমানবন্দরের দিকে রওয়ানা হয়। রাত ১১টা পর্যন্ত মোবাইলে বন্ধুদের সাথে তার কথা হয়। কিন্তু ১১টার পরে মোবাইল ফোন বন্ধ পেলে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

পরদিন বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘অপহরণকারী’ পরিচয়ে আসে ফোন। শুক্রবার ভোর ৬টার মধ্যে দেড় লাখ টাকা দাবি করা হয়। তার পরিবার কথিত অপহরণকারীদের দেয়া নম্বরে এক লাখ টাকা পাঠিয়েও তাকে ফেরত পায়নি।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়।