দীপ্তনিউজ :
কমলগঞ্জ থানা ১৯২২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এখানে জমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চালু রয়েছে। মৌলভীবাজার জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের অধীনে কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত সাব-রেজিস্ট্রার অফিসটি বর্তমানে আধুনিক ও মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে। অফিস ভবনের ভেতরে রয়েছে ফুলের বাগান, দলিল লেখকদের জন্য দুটি টিনশেড ঘর, একটি পুকুর এবং সামনে দৃষ্টিনন্দন গেইট। তবে অফিসের সামনের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। অফিসের সামনে টিনের ছাপড়ায় গড়ে উঠেছে পান-সিগারেট ও চায়ের দোকানসহ শাকসবজি, ফলমূল, শুঁটকি সেলুন বিভিন্ন পণ্যের অসংখ্য দোকান। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দোকানগুলোর ময়লা-আবর্জনা পুকুরে ফেলা হয়, ফলে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা বাড়ছে। এদিকে অফিসের সামনে রাস্তার ফুটপাতে দোকান বসায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ ঠিকমতো চলাচল করতে পারছেন না। এছাড়া অফিসের মুখে মোটরসাইকেল ও সিএনজি যত্রতত্র রাখার কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট ও ভোগান্তি। স্থানীয় এলাকাবাসী ও অফিসে আসা লোকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেও কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। দ্রুত অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও যানবাহন পার্কিং ব্যবস্থাপনা চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ৯/৩ /২০২৫ ইং সদয় অবগতি ও কার্যর্থে জন্য বরাবর, জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজার। অনুলিপি : জেলা রেজিস্ট্রার মৌলভীবাজার। সাব রেজিস্ট্রার কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সহকারী কমিশনার ভূমি, কমলগঞ্জ মৌলভীবাজার। বিষয়ে সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের সীমানা প্রাচীন সংলগ্ন ফুটপাতের দোকান উচ্ছে প্রসঙ্গে। লিখিত আবেদন করেন কমলগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রারের কার্য্যালয়ের অধীনে কর্মরত নিবন্ধনপ্রাপ্ত দলিল লিখকগণ। আবেদনটি ২৮৯ নং স্মারকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মৌলভীবাজার রেভিনিউ মুন্সি শাখা, অন্তরা সরকার অদ্রি সহকারী কমিশনার ২৭/৩/২৫ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমলগঞ্জ মৌলভীবাজার। অনুলিপি (জ্ঞাতার্থে/ কার্যার্থে): অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব),মৌলভীবাজার। সহকারী কমিশনার ভূমি কমলগঞ্জ মৌলভীবাজার। আবেদন যাঁরা করেছিলেন উনারা বলেন ৯/৩/২৫ ইং থেকে আজ ৩/৩/২০২৬ চলছে এবিষয়ে দায়িত্ববান কোনো অফিস থেকে কাজ হচ্ছে-না এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আসাদুজ্জামান কমলগঞ্জ মৌলভীবাজারকে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেস করিলে উনি এই প্রতিবেদকে বলেন তিনি এবিষয়ে কিছু জানেন না। প্রতিবেদক বলেন আবেদন কপি আমার কাছে আছে। উনি বলেন আবেদন কপিটা আমার ওয়াসআপ পাঠান। কপি পেয়ে তিনি বলেন অবশ্য বিষয়টি দেখবেন। কমলগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রার ফয়সাল আহমদ সাথে মোবাইল ফোনে অনেক বার যোগাযোগ করিলেও উনি ফোন ধরেননি। পরে উনার অফিসে রুবেল আহমদকে ফোন দিলে ফোন ধরে বলেন সাব রেজিস্ট্রার স্যার ৩ দিনে ছুটিতে বুধবারে আসবেন। পরে অফিস কেরানি মনুজ কুমার দরকে মোবাইল ফোনে, ফোন দিলে তিনি বলেন, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে এই বিষয়ে আবেদন আছে। তিনি আরো বলেন রাস্তার এই টিনের ছাপড়ায় দোকান গুলো বিভিন্ন ধরনে অসুবিধা করছে। আমরা অনেক চেস্টা করছি উঠানোর জন্য।






