আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে নিউরোলজি ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেন, তোফায়েল সাহেবকে আমি ভালোভাবে চিনি। সেই ৬৬’র পর থেকে ছয় দফা আন্দোলন, ১১ দফা আন্দোলন থেকেই চিনি। ভদ্রলোককে আমি ভালোই জানতাম, কিন্তু সেদিন হঠাৎ বললেন তিনি নাকি জিয়াউর রহমানকে চেনেন না। তখন মনে হলো এ তোফায়েল সাহেবকে তো আমিও চিনি না। তিনি কি হলফ করে বলতে পারবেন জিয়াউর রহমানকে চেনেন না? এমন হতে পারে বার্ধক্যজনিত কারণে তার সামান্য স্মৃতিভ্রম হয়েছে। তিনি ইতিহাসকে বিকৃত করলেন। উনার মতো একজন দায়িত্বশীল লোকের কাছ থেকে এটা আশা করা যায় না। উনাকে নিউরোলজি ডাক্তার দীন মোহাম্মাদ সাহেবকে দেখানো উচিত। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জিয়া পরিষদ আয়োজিত ‘গণতন্ত্র ও উন্নয়নে তারেক রহমান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা আব্বাস বলেন, তোফায়েল আহমেদ কাউকে খুশি করার জন্য এ কথাটা বলেছেন। তবে জিয়াউর রহমানকে আওয়ামী লীগের চেনার দরকার নেই। কারণ তাকে চিনলে অনেক কিছু মেনে নিতে হবে। আওয়ামী লীগ সবসময় মিথ্যা কথা বলে। আমাদের দেশে এত ভালো ভালো দল আছে তার মধ্যে একটা মিথ্যাবাদী দল থাকাও দরকার। মির্জা আব্বাস বলেন, জিয়াউর রহমান তো আজকের আওয়ামী লীগের জন্মদাতা। কারণ তিনি বাকশালের গর্ভ থেকেই এ আওয়ামী লীগকে বের করেছিলেন। বাকশাল, একদলীয় শাসন ছিল তখন আওয়ামী লীগ ছিল না। উনি বাকশাল উঠিয়ে এ আওয়ামী লীগের লাইসেন্সও তিনিই দিলেন। তো সেই তোফায়েল আহমেদ চেনেন না জিয়াউর রহমানকে। ভুল বলে ফেলেছেন ভাই, তাই উনার পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাচ্ছি। দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদদের সম্পর্ক নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মির্জা আব্বাস বলেন, এটাই যদি হয় দয়া করে আপনারা দুর্নীতি বন্ধ করে দেন। তাহলে দেশে দুর্নীতি পুরোটাই বন্ধ হয়ে যাবে। আজকে আওয়ামী লীগের দুর্নীতির কারণে দেশ ডুবতে চলেছে। বিএনপির এ নীতি নির্ধারক বলেন, দেশের জনগণ তাদের প্রয়োজনেই তারেক রহমানকে দেশে ডেকে নিয়ে আসবে। এ সরকারের অধীনে ও বিএনপিকে বাদ দিয়ে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। আয়োজক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বিএনপি
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবির মুরাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. আবদুল কুদ্দুস বক্তব্য দেন।
তোফায়েল আহমেদ কে? আমিও তো চিনি না: মির্জা আব্বাস
Catagory : ঢাকা | তারিখ : নভেম্বর, ২৭, ২০১৭, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ • ২ বার পঠিত






