আজ-  ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» এলাকাবাসী ও এই ওয়ার্ডের মেম্বারসহ ২ বছর যাবৎ চেষ্টা করেও «» নবীগঞ্জে রবীন্দ্র গ্রন্থাগারে রবীন্দ্র ও নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন «» কমলগঞ্জে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীকাউকে পিছিয়ে আমরা কোন ধরনের উন্নয়ন করতে পারব না «» জুয়া ও মাদকের ভয়াবহ বিস্তার -অপরাধের ঝুঁকিতে মৌলভীবাজার শহর, ধ্বংসের পথে কিশোর-যুব সমাজ (পর্ব ১)  «» নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ৯ যুবক : শোকে স্তব্ধ তিন গ্রাম «» আদমদীঘি চাঁপাপুর ইউনিয়নের পুলিশ ফাঁড়ির নতুন জায়গা পরিদর্শন «» অবিলম্বে দেউন্ডি টি কোম্পানীর ৪ টি চা-বাগানের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ করে বাগান চালুর দাবি জানিয়েছে চা-শ্রমিক সংঘ «» বকেয়া মজুরি পরিশোধ করে বাগান চালুর দাবি চা-শ্রমিক সংঘের «» UNESCO-Led Youth Research Warns of Growing Climate Pressures on Indigenous Communities «» শ্রীমঙ্গলে লেবু বাগানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

৭১ সনের যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাধাগ্রস্থ ও সাক্ষী নিঃচিহ্ন করার জন্য গণকবরের মাটি স্থানান্তর।

মৌল্ভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলায় পাঁচগাও ইউনিয়নের ১৯৭১ সনের রাজাকার আলবদর ও পাক হানাদার বাহীনির বর্বচিত হত্যাকান্ডের একমাত্র সাক্ষী পাঁচগাও গণকবরের মাটি এক্সেভেটারের সাহায্যে খনন করে নিয়ে যাচ্ছে স্বাধীনতার বিরোদীচক্র। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের বাধা প্রদানে মাটি স্থানান্তর কাজ বন্দ হয়, এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।স্থানীয় সুত্রে জানাযায় ১৯৭১ সনে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজাকার আলবদর বাহীনির সহযোগীতায়, পাক হানাদার বাহীনির দ্বরা পরিচালিত উক্ত উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় বড় ধরনের গণহত্যা সংঘটিত হয়। সেই হত্যা করা গণশহীদদের পাঁচগাও এই জায়গায় সমাহিত করা হয়। বর্তমান সরকার এটিকে একটি চিহ্নিত বৈধ্যভুমি হিসাবে কিছু সংস্কার করেন। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস সহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে রাজনগর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কামান্ড, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক সংগঠন এখানে ফুল দিয়ে ৩০ লক্ষ শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। কিছুদিন যাবত একটি কুচক্রী মহল স্বাধীনতার বিরোদী শক্তি এই বৈধ্যভুমিকে নানান ভাবে দখল আত্তসাতে চেস্টা করছে।এব্যপারে  রাজনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সজল কুমার চক্রবর্তী বলেন;  যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাধাগ্রস্থ ও সাক্ষী নিঃচিহ্ন করার জন্য একটি কুচক্রী মহল স্বাধীনতার বিরোদী শক্তি হেন কার্যকলাপ করে যাচ্ছে, আমরা সাদ্যমত চেস্টা করি এদেরকে প্রতিহত করার। যুদ্ধাপরাধীর বিচার কার্যক্রম শুরু ও ৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় হওয়ার পর থেকে এরা ভিবিন্ন ভাবে চেস্টা করছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি এবং ৭১ সনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের সাক্ষী গুলা ধংষ করায় লিপ্ত। এরা রাজাকারদের বংশদর ও স্বাধীনতার বিরোদী গোস্টি যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাধাগ্রস্থ ও সাক্ষীদের মনে ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে এসব কাজ করছে। অদ্য ১৫ মে আমরা খবর পাই কুচক্রী মহল এই বৈধ্যভুমিকে এক্সেভেটারের সাহায্যে খনন করে মাটি অন্য জায়গায় নিয়া যাচ্ছে। সাথেসাথে আমি রাজনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহবায়ক অনুপম দাশ ও সদস্য সচিব আব্দুল আহাদ সহ মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হই এবং বাধা প্রদান করি। কুচক্রী মহল  আমাদের কথা না মানায় অবস্থা বেগতি দেখে আমরা প্রশাসনের সহায্য নেই। রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও রাজনগর থানার ওসি মহোদ্বয়ের সহযোগীতায় এদেরকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছি।